নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা।

নিউজ ডেস্কঃ
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫
চৈত্রের আকাশে সূর্যের চোখ রাঙানি। প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ মানুষ হাঁসফাঁস করছে। দুর্বিষহ গরমে হাঁপিয়ে উঠছে সবাই। প্রখর রোদকে সঙ্গী করে সকাল শুরু হচ্ছে। ভরদুপুরে তেতে উঠছে প্রকৃতি। শেষ বিকালেও রোদের তেজ কমছে না। এর মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ অব্যাহত আছে। আবার এই দাপটের সঙ্গে এবার এপ্রিল মাসে যোগ হতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। এর সঙ্গে কালবৈশাখীও হতে পারে বেশ কয়েকটা।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বছরের উষ্ণতম মাস হিসেবে বিবেচিত হয় মার্চ এবং এপ্রিল। এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই তাপমাত্রা আগের কয়েকবছরের তুলনায় গত কয়েকবছর বেশিই অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে শহর এলাকায় তাপমাত্রার প্রভাব গ্রামের তুলনায় বেশি অনুভূত হয়।
অন্যদিকে, মৌসুমের প্রথম দফার এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। যদিও বুধবার সিলেটে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে।  এই সময় সিলেটে ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এছাড়াও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে  উত্তরাঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায়  বৃষ্টি হতে পারে। তাতে করে সেসব জায়গায় তাপপ্রবাহ কিছুটা কমে আসতে পারে। তবে অন্য এলাকায় আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে।  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাজশাহী বিভাগসহ দিনাজপুর, সৈয়দপুর এবং চুয়াডাঙ্গাসহ ৮ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। এদিকে সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা দিয়েছে সংস্থাটি।
আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশেপাশের এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মার্চ এবং এপ্রিল মাস বছরের উষ্ণতম মাস। এ সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। চলতি মাসে পাঁচ থেকে ছয় দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের এবং এক ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন