নিউজ ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫
ঈদের আগের আগ মূহূর্তে আরো একটি নতুন হাইটেক পার্কের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রধান ড. মো. ইউনুসের বিশেষ সহকারী ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানান। তিনি লেখেন, ঈদের ঠিক আগে আগে টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) কে হাইটেক পার্ক হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়ে, তার অনুমোদন দিয়েছি। টেলিকম ও আইসিটি সচিব দ্বয় এই রুপান্তরে আমাকে সাহায্য করছেন।
১৯৬৭ সালে জার্মানির তৎকালীন টেকনোলজি জায়ান্ট সিমেন্স এর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত সফল প্রতিষ্ঠান টিশিসকে মেরে ফেলা হয়েছে। মাঝখানে দোয়েল ল্যাপটপের হাইপ উঠানো হয়েছে। ভিতরে ভিতরে দোয়েল উৎপাদন হয়েছে মালোয়েশিয়াতে, এখানে এসেম্বলিং হয়েছে মাত্র। শত শত দোয়েল ল্যাপটপ অবিক্রীত। ল্যান্ডফোন সেট বানাতো কোম্পানিটি, সেটা বাটন বা ফিচার ফোন বানানোর সক্ষমতায় পৌছানো যায়নি।
গাজীপুরের আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে এম্পি রাসেল শিল্পের জমি দখল করে আবাসিক এলাকা নয় এরকম শিল্পাঞ্চলে স্টেডিয়াম বানিয়েছে, স্রেফ লুটপাট করতে। অক্ষম প্রতিষ্ঠান টেশিস তার সম্পদ রক্ষাতেও ব্যর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশে ওয়াইফাই রাউটার, বুস্টার, চার্জার ইত্যাদি মোবাইল টেলিফোনের সব ধরনের এক্সেসরিজ এখনো আমদানি করা হয়। এটা ইমাজিন করতে কষ্ট হয় যে দেশের প্রায় শতভাগ ইউএসবি কেবল, পাওয়ার কেবল, এডাপ্টার ইত্যাদি আমদানি করা লাগে। সাধারণ পিএবিএক্স বিদেশ থেকে আসে। কর্মসংস্থান কিভাবে হবে! বিশেষ এই লো টেক প্রোডাক্টগুলোর জন্য সংস্থাটিকে কিভাবে ঢেলে সাজানো যায় তার জন্য এর মহাপরিচালক এর সাথে আলাপ হয়েছে।
হাইটেক নয়, আপাতত দরকার টেশিসকে একটা ফাংশনিং মিড-টেক বা লো-টেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়া করানো। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা চাইনিজ ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যানগুলোকে বাংলাদেশে আনতে উৎসাহিত করেছেন। এখানে টেলিফোন শিল্প সংস্থার বিদ্যমান ইনফাস্ট্রাকচারাল ক্যাপাসিটিকে কিভাবে ইন্টিগ্রেট করা যায় তার চিন্তা করছি।