নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

অধ্যাপক মুসতাক আহমেদের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত।

আমারদেশ ২৪ ডেস্ক।
বুধবার ০৬ আগ্স্ট ২০২৫
(রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মুসতাক আহমেদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের নেওয়া ৫ বছরের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্তের ওপর ২ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত কেন ‘অবৈধ ও ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত।গত ২০ জুলাই হাইকোর্টের বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৯ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৫৩৭তম সভায় অধ্যাপক মুসতাক আহমেদের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগুলোতে ছিল- পদোন্নতিতে নিষেধাজ্ঞা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিকৃত অর্থ ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ। সেই সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি, খণ্ডকালীন শিক্ষকতা বা দায়িত্ব পালনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। উল্লিখিত সময়কাল সক্রিয় চাকরি হিসেবেও গণ্য হবে না বলে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত দেয়।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবিধানের ২৭, ২৯, ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন অধ্যাপক মুসতাক আহমেদের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতিপক্ষ করা হয়।শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান ও খান জিয়াউর রহমান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী। অন্যদিকে রিটকারী অধ্যাপকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে আদালত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত দুই মাসের জন্য স্থগিত রাখেন এবং রিট আবেদনকারীকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষদের নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন