নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

এই প্রথমে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ।

স্পোর্টস ডেস্ক।
রোববার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা একের পর এক সাফল্য অর্জন করে ইতিহাস গড়ছেন।  গত মাসে ঋতুপর্ণা চাকমার নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। এবার অনূর্ধ্ব-২০ দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকারও দলকে এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্বে তুলেছেন।
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব থেকে আটটি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা তিনটি রানার্সআপ দল মূলপর্বে খেলার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ আটটি গ্রুপের মধ্যে তৃতীয় সেরা রানার্সআপ দল হিসেবে আগামী বছর মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
রোববার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ড্র করতে পারলেই বাংলাদেশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতো। তবে ওই ম্যাচে ১-৬ গোলের ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশ ৬ পয়েন্ট ও ৫ গোল নিয়ে অন্যান্য গ্রুপের ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ছিল।
‘ই’ গ্রুপে চীন ও লেবাননের পয়েন্ট সমান ৬ ছিল। ওই ম্যাচটি ড্র হলে বাংলাদেশ সংকটে পড়তে পারত। তবে চীন বড় ব্যবধানে জেতায় লেবাননের পয়েন্ট ৬ থাকলেও তাদের গোল ব্যবধান হয়ে যায় -৬। এর ফলে বাংলাদেশ মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
‘বি’ গ্রুপে কিরগিজস্তান এবং ভিয়েতনামের মধ্যকার ম্যাচটিও বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই ম্যাচে জিতলে কিরগিজস্তান জিতলে ভিয়েতনাম, কিরগিজস্তান ও হংকংয়ের পয়েন্ট সমান (৬) হতো। সেক্ষেত্রে হেড-টু-হেড বিবেচনায় কিরগিজস্তান গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হলে ভিয়েতনাম রানার্সআপ হতো এবং গোল ব্যবধানে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকার সুযোগ পেত।
তবে শেষ পর্যন্ত এত জটিলতা হয়নি। কারণ ভিয়েতনাম ৩-০ গোলে জেতায় হংকংয়ের পয়েন্ট ৬ থাকলেও গোল ব্যবধান -৬ হয়ে যায়। এর ফলে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পায়।
এদিকে কোরিয়ার বিপক্ষে লিড নিয়েও হেরে যায় বাংলাদেশ।এফ’ গ্রুপে ইরানের পয়েন্ট ৬ হলেও তাদের গোল ব্যবধান মাইনাস। অন্যদিকে, ‘এ’ এবং ‘ডি’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের পয়েন্ট মাত্র ৪। এর ফলে, বাংলাদেশ সেরা তিন রানার্সআপ দলের মধ্যে স্থান করে নেয়।
‘সি’ গ্রুপে রানার্সআপ অবস্থানে থাকা চাইনিজ তাইপের পয়েন্ট ৬ এবং গোল ব্যবধান ৭। তারা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই গোলের বেশি ব্যবধানে হারলে বাংলাদেশের চেয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়বে। ‘জি’ গ্রুপে উজবেকিস্তান ও জর্ডানের পয়েন্টও ৬। দু’দলের গোল ব্যবধান যথাক্রমে ১৬ ও ১১। এই দুই দল নিজেদের মধ্যকার ম্যাচে ৪-৫ গোলের ব্যবধানে হারলেও তারা উভয়ই চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।
আমারদেশ নিউজ।

আরও পড়ুন