আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
‘সাদা পাথর শেষ। এখন শুধু বালি আর বালি। পাথরের চিহ্ন আর অবশিষ্ট নেই বললেই চলে।’ এভাবেই হতাশা ব্যক্ত করছিলেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের আব্দুল আলিম। তিনি বললেন, ‘লুটেরাচক্র সব পাথর লুটে নিয়েছে। যে সাদা পাথরের আকর্ষণে পর্যটকরা এখানে আসতেন, সেখানে আর পাথর নেই। লাগামহীন লুটপাটে প্রায় পাথরহীন হয়ে পড়েছে পর্যটন এলাকা সাদাপাথর।’
তখন ২০১৭ সাল। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথরমহালের ধলাই নদীর উৎসমুখে পাহাড়ি ঢলে ভর করে নেমে আসে পাথর। ৫ একর জায়গাজুড়ে জমা হয় সেসব পাথর। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ পাহারা বসায় সেখানে। এলাকাটি সংরক্ষিত করে। সাদা পাথরে বিস্তীর্ণ হয়ে উঠে জনপদ। পাহাড় বেয়ে আসা স্বচ্ছ পানির স্পর্শে বিপুল সৌন্দর্য নিয়ে চোখে ধরা দেয় পাথর। গ্রীষ্মের রৌদ্রজ্জ্বলে চাকচিক্যময় হয়ে উঠে কোমল পানি আর পরিষ্কার পাথর। আকাশের নীল আর সাদা মেঘের ভেলার আবরণে ছায়ামায়ার ছবি হয়ে ধরে দেয় সাদা পাথর। ওই বছরই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের নজর কাড়ে সাদা পাথর। মুখর হয়ে উঠে দূর-বহুদূরের পর্যটকদের পদভারে।
এর আগেও ১৯৯০ সালে পাথর জমা হয়েছিল এখানে। লুটেরাদের কালো থাবায় সেসব পাথর নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।









