আমার দেশ ২৪ ডেস্ক।
রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদ করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সারাহ ফারজানা হকের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো.আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) থেকে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাকে আটক করে পুলিশ। মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘মঞ্চ ৭১’ আয়োজিত অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনার পর তাদের আটক করে পুলিশ। এদিন রাতেই লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। ওই মামলায় ১৬ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে সংগঠন ‘মঞ্চ ৭১’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেনের।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি একজন অংশগ্রহণকারী। এখানে দল-মত নির্বিশেষে সব মুক্তিযোদ্ধাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাই এসেছি। আমরা অনুষ্ঠান শুরু করেছিলাম। লতিফ সিদ্দিকী সাহেবও এসেছিলেন, তবে কামাল হোসেন সাহেব আসেননি। কিছুক্ষণ পর ২০-২৫ জন যুবক এসে হট্টগোল শুরু করে এবং আমাদের ঘিরে ফেলে। তবে তারা কারও গায়ে হাত দেয়নি। পরে দুপুর ১২টার দিকে এডিসি আসাদের নেতৃত্বে লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।









