নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

চট্টগ্রামে সেতু ভেঙে ২ ভাগ, তদন্ত কমিটির চোখে ৪ কারণ।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের শীতল ঝরনা খালের ওপরের পুরনো সেতুর একাংশ ভেঙে দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার ঘটনায় সিটি করপোরেশনের গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি চারটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছে।

এর আগে বুধবার  তদন্ত কমিটি তিন পাতার প্রতিবেদনে জমা দেয়। যেখানে বলা হয়েছে, সেতুর ভাঙার মূল কারণ হলো খালের প্রশস্ততা ও গভীরতার সঙ্গে সেতুর পুরনো কাঠামোর অমিল। ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং খালের তলদেশের মাটির সরে যাওয়াও সেতুর ভিত্তি দুর্বল করার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, সেতুর পাশে নির্মিত নালা থেকে পানি সরাসরি ফাউন্ডেশনের পাশে পড়েছে, যা ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। এছাড়া শিল্প এলাকার ভারী যানবাহনের চাপ সেতুর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপন ও সংরক্ষণের জন্য নির্মিত আরসিসি কাঠামোও সেতুর ওপর প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া, সেতুর পুরোনো কাঠামো বর্তমান যান চলাচলের সঙ্গে খাপ খায়নি।

গেল ৭ আগস্ট ভোরে ভারী বর্ষণের সময় সেতুর এক পাশ ভেঙে যায়। অন্য পাশ দিয়ে এখনও যান চলাচল চালু রয়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে ৬০–৭০ হাজার গাড়ি চলাচল করে।

তদন্ত কমিটি ভাঙা সেতু পুনঃনির্মাণ ও অন্যান্য সেতুর নিরাপত্তার জন্য চারটি সুপারিশ দিয়েছে। এগুলো হলো- খালের প্রস্থের সঙ্গে মিল রেখে পুরনো সেতু নতুন করে নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিরোধ দেয়াল নতুন করে তৈরি করা, ভারী যানবাহন বহন করতে অযোগ্য সেতু চিহ্নিত করে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন ও প্রয়োজনে চলাচল সীমিত করা এবং পাইপলাইন স্থাপনের সময় সেতুর ক্ষতি না হওয়ার নিশ্চয়তা রাখা।

সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন জানান, কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চসিকের সূত্র বলছে, শহরের যান চলাচল ও নিরাপত্তার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ইতিমধ্যে শীতল ঝরনা খালের ওপর নতুন সেতু নির্মাণের কাজের জন্য দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। নতুন সেতুটি ২৩ মিটার প্রশস্ত ও ১৫ মিটার দীর্ঘ হবে। ব্যয় ধরা হয়েছে ৮–৯ কোটি টাকা।

 

আরও পড়ুন