আমারদেশ ২৪ নিউজ।
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখন সরগর। গতকাল শুক্রবার ( ২৯ আগস্ট) ছুটির দিনেও প্রচার কার্যক্রম চালাতে মাঠে ছিলেন প্রায় সব প্যানেলের প্রার্থীরা। আবাসিক হলগুলোর পাশাপাশি অনাবাসিক ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আটঘাট বেঁধে নেমেছেন হেভিওয়েট থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা। কেউ দলগতভাবে আবার কেউ স্বতন্ত্রভাবে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। কষছেন নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে কেউ রাজনৈতিক কারণে, কেউ বা অভিনব প্রচার তৎপরতা ও সাবলীল বাচনভঙ্গির কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। শুরু থেকেই তারা অনলাইন ও অফলাইনে বেশ সক্রিয়। আর উৎসবের আমেজের মধ্যেও থেমে নেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষক কিংবা বিভিন্ন সংগঠন এবং প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনে কে এগিয়ে আর কে পিছিয়ে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। অনেক প্রার্থীই নানা প্রতিশ্রুতির বুলি আওরাচ্ছেন, আকাশ-কুসুম স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।
শুক্রবার ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হল, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল, কবি সুফিয়া কামাল হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রোকেয়া হল, সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীম উদ্দীন হল, টিএসসি, কলাভবন এবং অনাবাসিক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধ, আবাসন সংকট নিরসন, হলের খাবারের মানোন্নয়ন, পরিবহন সংকট সমাধান, কারিকুলাম ও গবেষণার আধুনিকায়ন, হয়রানিমুক্ত প্রশাসনিক সেবা, সর্বোপরি বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা নিশ্চিতে বাস্তবায়নে যারা অগ্রাধিকার দেবে তাদেরকেই ডাকসুর নেতৃত্বে দেখতে চান তারা।
কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, আমরা যখন ভর্তি হই তখন ক্যাম্পাসে এক ধরনের ভয়ের সংস্কৃতি ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তা এখন নেই। গণরুম কিংবা টর্চার সেল নেই। এবারের নির্বাচনে যে প্রার্থীই পাস করুক না কেন দলীয় ছাত্র বা শিক্ষক-রাজনীতির ক্ষেত্রে আমরা লেজুড়বৃত্তি চাই না। যে যেই রাজনীতিই করুন না কেন, সেটি হতে হবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে। এখানে অন্য কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা যাবে না।









