শনিবার,৩০ আগস্ট, ২০২৫
সাতক্ষীরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নারী শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের জিরো লাইনের কাছে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার আবুল কাশেম ও ভারতের বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর দিবাজ্যোতি ডলিসহ বিজিবি এবং বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আটককৃতদের বাড়ি সাতক্ষীরা, খুলনা ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবি আটককৃতদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশে সোপর্দ করে।
হস্তান্তরকৃত বাংলাদেশি নাগরিকরা হলেন- সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামের আব্দুর রব সরদারের ছেলে মো. সেকেন্দার হোসেন (৩৩), যতিন্দ্রনগর গ্রামের মো. সুজাত আলী গাজীর মেয়ে ঝর্ণা খাতুন (৩৮), কালিঞ্চি গোলাখালী এলাকার মিকাইল মোল্যার স্ত্রী মোছা. নাজমা বিবি (৩৩), মেয়ে মাহেরা আক্তার (৬), ছেলে নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মেয়ে মিনা (১৩), নওয়াবেঁকীর পূর্ব বিড়ালক্ষী গ্রামের আবিয়ার রহমান শেখের মেয়ে মোছা. মাফুজা খাতুন (৩৪), মেয়ে তানিয়া সুলতানা (১০), ছেলে মাফুজ রহমান (২), খুলনার বাটিয়াঘাটা উপজেলার কৃষ্ণনগর জলমা এলাকার মৃত জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪৪), মেয়ে হাসিনা খাতুন (১০), নকিপুর গ্রামের কালাচাঁদ গাজীর ছেলে মো. আব্দুল্লাহ গাজী (৩৮), এবং পিরোজপুর জেলার খানাকুনিয়ারী গ্রামের এছাহাক মোল্যার ছেলে রুহুল আমিন (৪০), রুহুল আমিনের স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।
বিজিবি সূত্র জানায়, অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের দায়ে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে বিএসএফ নারী ও শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। আটকের দুইদিন পর বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত সোয়া ৮টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের জিরো লাইনের কাছে বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর দিবাজ্যোতি ডলি এবং বিজিবির তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার আবুল কাশেমের উপস্থিতিতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে বিজিবির একটি টহলদল আটককৃতদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এঘটনায় তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবুল কাশেম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে রাত ১১টার দিকে আব্দুল্লাহ গাজী বাদে বাকি সকলকে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়।









