নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

প্রকাশনা সম্পাদক পদে ব্যাপক ভোটে বিজয় অর্জন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সানজিদা তন্বি।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ব্যাপক ভোটে বিজয় অর্জন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সানজিদা আহমেদ তন্বি।তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭৭ ভোট। আজ বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়।

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী তন্বি গত বছর ১৫ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছিলেন। আন্দোলনের সেই সময়কার পরিচিত মুখ হিসেবে এবার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়েন তিনি।

তার সম্মানে বেশ কয়েকটি বড় প্যানেল এই পদে প্রার্থী দেয়নি। এর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদসহ মোট ছয়টি জোট। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেয় ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’, ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’, ‘অপরাজেয় ৭১- অদম্য ২৪’ এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বাধিক ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পান ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট এবং শামীম হোসেন পান ৩ হাজার ৬৮১ ভোট।

জিএস পদে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের এস এম ফরহাদ জয়ী হয়েছেন ১০ হাজার ৮৯৪ ভোট পেয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলপন্থী তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট, আর প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট।এজিএস পদে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের মহিউদ্দীন খান ৯ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫৪ ভোট।

উল্লেখ্য, এবারের ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৭১ জন প্রার্থী। আর ১৮টি হল সংসদের ২৩৪টি পদে লড়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী। মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন, যার মধ্যে ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ এবং ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ জন।
তন্বির এই জয়কে অনেকে দেখছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রতি শিক্ষার্থীদের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।

আরও পড়ুন