নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলমান গণছুটির আন্দোলন।

নিউজ ডেস্ক।

শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলমান গণছুটির আন্দোলনএবং নোটিশ করার পরও কাজে যোগ না দেয়া পরিকল্পিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

সচিবালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা যদি দ্রুত কাজে যোগ না দেন, তাহলে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থাও গ্রহণ করে সেটা কার্যকর করা হবে।

উপদেষ্টা বলেন, আমরা চাই আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কাজে ফিরে আসুক। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য আছে, এই আন্দোলনের আড়ালে জাতীয় নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা থাকতে পারে। আমরা বিষয়টি বিশ্বাস করতে চাই না। তবে যদি তারা কাজে না ফেরেন, তাহলে ধরে নিতে হবে এর পেছনে ইন্ধন রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকার সবসময় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে। তবে কোনোভাবেই নাশকতা বা অস্থিতিশীলতা সহ্য করা হবে না।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কয়েক মাস ধরে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। তাদের দাবিগুলো হলো ১. আরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একীভূতকরণ, ২. হয়রানিমূলক চাকরিচ্যুতি বন্ধ,  ৩. লাইন ক্রুদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ এবং ৪. দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে এ দাবিগুলো মেনে নেয়ার জন্য আন্দোলন চালালেও সম্প্রতি তারা গণছুটি ঘোষণা করে কর্মস্থল থেকে সরে দাঁড়ান। এতে বিদ্যুৎ খাত নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনকারীদের কিছু দাবি যৌক্তিক। সরকার সেগুলো সমাধানে উদ্যোগও নিয়েছে। আমরা চাই সবাই কাজে ফিরে আসুক। দাবি পূরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু যদি নাশকতার চেষ্টা হয়, তাহলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া আমাদের কোনো উপায় থাকবে না।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

আরও পড়ুন