নিউজ আপডেট:
রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর ট্রফি হাতে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা ছুঁয়ে দেখেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শুধু মাঠের এই ঐতিহাসিক সাফল্যই নয়, সঙ্গে এসেছে মোটা অঙ্কের অর্থনৈতিক প্রাপ্তিও। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয়ের রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ট্রফি হাতে তোলার ঠিক পরেই তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে আড়াই কোটি ইউরো— বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৪৬ কোটি ৫ লাখ টাকা।
তবে এখানেই শেষ নয়। লিগ পর্ব এবং নকআউট রাউন্ডে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেও বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছে ফরাসি জায়ান্টরা। লীগ পর্বে ৪টি জয় ও একটি ড্র করে তারা। প্রতিটি জয়ের জন্য দলগুলো পায় ২১ লাখ ইউরো, আর ড্রয়ের জন্য ৭ লাখ ইউরো। সে অনুযায়ী, পিএসজির লিগ পর্ব থেকেই বোনাস আয় হয়েছে প্রায় ১১৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
নকআউট পর্বের প্লে-অফে পৌঁছানোর জন্য আরও ১০ লাখ ইউরো— বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা পেয়েছে তারা। সব মিলিয়ে পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ মিশনের মোট আর্থিক অর্জনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
অবশ্য ফাইনালে বিশাল ব্যবধানে হারলেও খালি হাতে ফিরছে না ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলানও। রানার্সআপ হওয়ার সুবাদে ক্লাবটি পাচ্ছে প্রায় ২৫৬ কোটি ৮ লাখ টাকা (পৌনে ২ কোটি ইউরো)। তাদেরও লিগ পর্বের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো— ছয়টি জয় ও একটি ড্র। জয় থেকে তারা বোনাস হিসেবে পাচ্ছে ১৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আর ড্রয়ের জন্য আরও ৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ মৌসুমে ইন্টার মিলানের আয় দাঁড়িয়েছে ৪৪০ কোটি ১৮ লাখ টাকা।









