নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

১৭ মণের ‘কালো মানিক’, ছবি তুলতে ভিড়।

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি:

 বুধবার, ০৪ জুন, ২০২৫

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পশুর হাট এখনো জমে উঠেনি। এর মধ্যেই আলোচনায় চলে এসেছে একটি বিশেষ ষাঁড়—নামতার ‘কালো মানিক’।

এখনো কোনো হাটে তোলা না হলেও বিশাল দেহ, চকচকে কালো গায়ের রং, শান্ত স্বভাব ও সুঠাম গড়নের জন্য এরই মধ্যে রাজকীয় পরিচিতি পেয়ে গেছে সে। ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে সাত লাখ টাকা।
উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের চূড়ামনি এলাকার খামারি আবু শাহ আলম নিজের খামারে সন্তানের মতো করে লালন-পালন করছেন পাকিস্তানি শাহিওয়াল জাতের এই ষাঁড়টিকে। ‘কালো মানিক’-কে ঘিরে খামারটিতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক মানুষ।
খামারে গিয়ে দেখা যায়, কালো মানিককে ঘিরে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন। এই খামারে আছে আরও ২৫টি ষাঁড়। সবই দেশি জাতের। তবে কালো মানিক যেন আলাদা করে নজর কাড়ছে সবার।
খামারি আবু শাহ আলম বলেন, প্রাকৃতিক খাবারে বড় করেছি। কোনো হরমোন বা ইনজেকশন নেই। দিনে তিনবার খাবার দেই। নিজের সন্তানের মতো যত্ন নেই।
তিনি বলেন, কালো মানিকের বর্তমান ওজন প্রায় ১৭ মণ। দৈর্ঘ্য ৬ হাত, উচ্চতা ৪ হাত। প্রতিদিনই মানুষ আসে কালো মানিককে দেখতে। কেউ ছবি তোলে, কেউ ভিডিও করে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাতকানিয়ায় এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪৫ হাজার ৩৭১টি। বিক্রির উপযোগী প্রস্তুত পশু আছে ৪৭ হাজার ১২৪টি। অর্থাৎ চাহিদার চেয়েও সরবরাহ বেশি।
সাতকানিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে পশুর হাট ও খামারে নজরদারির জন্য ৫টি দল গঠন করা হয়েছে। তারা পশুর স্বাস্থ্যের সার্টিফিকেট, ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা ও হরমোন ইনজেকশন ব্যবহার রোধে কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, এ বছর খামারিরা অনেক সচেতন। বেশিরভাগ গরু প্রাকৃতিক উপায়ে লালন করা হয়েছে। তবে হাটে গতি আসবে ঈদের ২-৩ দিন আগে।

আরও পড়ুন