নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

বাড়তি সবজির দাম, স্বস্তি মাছ-মুরগিতে।

 

আমারদেশ২৪ নিউজ।
শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

বর্ষাকাল শুরু হওয়ায় বেড়েছে সবজির দাম। কোনো কোনোটির দাম সেঞ্চুরিও পার করে ফেলেছে। তবে বাজারে ব্রয়লার মুরগি আগের তুলনায় কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, কারওয়ান বাজার ও বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে কয়েক ধরনের সবজির দাম সামান্য বেড়েছে। যেমন- প্রতি কেজি টমেটো ১২০-১৮০ টাকা, বরবটি, কাঁকরোল ও কাঁচা মরিচ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এগুলোর দাম সপ্তাহখানেক আগে কেজিতে ১০-২০ টাকা কম ছিল।
এছাড়া প্রতি কেজি পটোল, ধুন্দল, চিচিঙ্গা ও ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা এবং বেগুন ৬০-১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আলুর দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি আলু এখন ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে কেজিতে ৫ টাকা কম ছিল। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। এ ছাড়া টিসিবির হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে আমদানি করা রসুন, আদা, দারুচিনি ও এলাচের দাম কমেছে।
এদিকে বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, যা ঈদের আগেও ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা কেজিতে। লাল লেয়ার ও সাদা লেয়ার বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ২৪০ এবং ২৩০ টাকায়। দেশি মুরগির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি, কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। হাঁস বিক্রি হচ্ছে জাতভেদে প্রতি পিস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে।
ঈদের সময় মাছের বাজারে খরা থাকলেও বর্তমানে এখন তা অনেকটাই কেটে গেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে রুই, কাতল, পাবদা, চিংড়ি, টেংরা, শিংসহ সবধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। সরবরাহ বেশি থাকায় দামেও নেই বড় কোনো ঊর্ধ্বগতি।
বড় আকারের রুই ও কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি দরে। পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, শিং ৪০০-৪৫০ টাকা এবং কৈ ২০০-২২০ টাকায়। এছাড়া সাধারণ তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস পাওয়া যাচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। দেশি জাতের শিং ও কৈ মাছ এখনও দুষ্প্রাপ্য। যার দাম যথাক্রমে ১২০০ ও ১০০০ টাকা কেজি।
এদিকে ঈদুল আযহার প্রায় এক মাস পার হলেও রাজধানীর বাজারে এখনও কোরবানির মাংসের রেশ রয়ে গেছে। ফলে গরু-খাসির মাংসের দোকানগুলোতে নেই তেমন ক্রেতার ভিড়। দাম এখনো ঈদের আগের দামে রয়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা মাংসের পরিবর্তে মাছ-মুরগি ও ডিমের দিকেই ঝুঁকছেন বেশি।
মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট বাজারে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্রেতাই ভিড় করছেন মুরগির দোকানে। গৃহিণী জেসমিন বলেন, “ঈদের পর এখন এমনিতেই গরুর মাংস খেতে ইচ্ছা করছে না, আবার দামও অনেক বেশি। আজ দেখলাম ব্রয়লারের দাম একটু কমেছে। দুই কেজি নিয়ে যাচ্ছি। রান্নাও সহজ, খরচও ম্যানেজেবল।”
তিনি আরও বলেন, “মাছও তুলনামূলক সস্তা, তাজাও। পাবদা আর তেলাপিয়া নিলাম। রান্নাতেও সময় কম লাগে।” ডিমের দাম প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আলম বলেন, “ডিম আগের চেয়ে ১৫–২০ টাকা কমে পাচ্ছি বলে কিছুটা সাশ্রয় হচ্ছে। তবে খুচরায় এখনো বেশি রাখছে, সেটাও ঠিক নয়।”

আরও পড়ুন