নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

চাঁদপুর ইলিশ ঘাটে ক্রেতা থাকলেও বিক্রি কম।

 

শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫
সরবরাহ কম। অন্যদিকে চাহিদা অনুযায়ী দাম না কমায় বেচাবিক্রি পুরোদমে জমে উঠছে না।
যেখানে আগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ মণ ইলিশ বেচাকেনা হতো বর্তমানে তা ৫০ থেকে ১০০ মণে এসে দাড়িয়েছে।
আজ শুক্রবার  সকাল থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ক্রেতারা মাছঘাটে ঘুরতে আসেন। কেউ ২টি ইলিশ, আবার কেউ কেউ ৫-৭টি ইলিশ কিনে নিয়ে গেছেন। এছাড়াও কিছু ক্রেতা দাম শুনে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।
ঢাকা থেকে চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে আসা পারভেজ বলেন, আমরা ৪ বন্ধু ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে চাঁদপুর বড়স্টেশন তিন নদীর মোহনায় ঘুরতে এসেছি। মোহনার পাশেই ইলিশ ঘাট। যার কারণে মাছ দেখতে এসেছি। তবে এখানে এসে ভিন্ন অভিজ্ঞতা। ইলিশের স্তুপ নেই, আবার দামও বেশি। পুরো আড়ত ঘুরে দেখছি, সম্ভব হলে ইলিশ কিনে না
ইলিশ ব্যবসায়ী নবীর হোসেন জানান, ইলিশের মৌসুম চলছে কিন্তু চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। সারাদেশে চাঁদপুরের ইলিশের ব্যাপক চাহিদার অনুপাতে বাজারে মাছটির আমদানি কম। আগে ট্রলারে করে দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশ চাঁদপুর মাঝঘাটে আসতো কিন্তু পদ্মা সেতু হওয়ার পর সেই মাছ এখন আর আসে না। সামনে ইলিশের ভরা মৌসুম, নদীর পানি ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ইলিশ ধরা পড়বে, তখন দাম কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আড়তের আরেক ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেন, মাছঘাটে আসা এখনকার ইলিশের সাইজ বড়। এখনকার ইলিশ স্থানীয় নদীর। শুক্রবার থাকায় ক্রেতা সমাগম বাড়লেও বিক্রি কম। অধিকাংশ ক্রেতারা দরদাম যাচাই করে না কিনে চলে যায়। যার কারণে কিছু ইলিশ সরবরাহ থাকলে আগের মতো বিক্রি নেই।
তিনি আরও জানান, আজকের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। আর ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। এছাড়া এক কেজি ওজনের বড় ইলিশ ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন