নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

মহিউদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আসিফ গ্রেপ্তার, আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ।

নগরীর বাকলিয়া থানাধীন মহিউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আসিবুল হক (প্রকাশ) আসিফ (২৪) অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছ বলে জানায় পুলিশ।

এর আগে ৩১ জুলাই বিকেল তিনটার দিকে সাতকানিয়া মৌলভীর দোকান এলাকায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নগরীর বাকলিয়া থানার পুলিশ।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোবারক হোসেন; তার সঙ্গে ছিলেন এসআই ফরহাদ। অভিযান পরিচালিত হয় থানার ওসি (তদন্ত) মোজাম্মেল হকের নির্দেশনায়।

গ্রেপ্তারকৃত আসিফ বাকলিয়া থানাধীন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদশার বাড়ির  ইসমাইলের ছেলে। বর্তমানে সে তক্তারপুলের মিলিটারী কলোনিতে বসবাস করছিল।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসিফ স্বীকার করেছে যে, মহিউদ্দিনকে সে নিজেই গুলি করে হত্যা করেছে। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়।

২৫ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে ৫ নম্বর ব্রিজসংলগ্ন গাফফার কলোনি এলাকা থেকে মহিউদ্দিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর: ৩৬; ধারা: ৩০২ পেনাল কোড।এর আগে, ২৭ জুলাই রাতে রাহাত্তারপুল খালপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলার অন্যতম আসামি মো. সুমন (১৯)-কে গ্রেপ্তার করে সিএমপির ডিবি (উত্তর ও দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম।

গ্রেপ্তার হওয়া সুমনের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে হলেও সে দীর্ঘদিন ধরে বাকলিয়ার দৌলতখান কলোনিতে ভাড়া থাকতো এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।তার কাছ থেকে একটি মার্কিন তৈরি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। তবে সেই অভিযানের সময় মামলার প্রধান আসামি আসিফ পালিয়ে ছিলেন।

 

আরও পড়ুন