নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতে লালমনিরহাটেআবারও বন্যা।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতে লালমনিরহাটেআবারও বন্যাদেখা দিয়েছে।আজ সোমবার বিকাল ৩টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ডালিয়া ব্যারাজে খুলে রাখা হয়েছে ৪৪টি জলকপাট।

এরআগেরোববার (আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে সারারাত বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।এতে লালমনিরহাটের চারউপজেলায় প্রায় ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়েপড়েছেন

জানা গেছে, তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ৩০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে।ফলে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ ও আদিতমারী উপজেলায় ৪ হাজার মানুষ, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার মানুষ ও হাতীবান্ধা উপজেলায় ১ হাজার ৮০০ মানুষ পানিবন্দী হয়েপড়েছেন

রাতভর পানি প্রবেশের কারণে এসব এলাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। বিশুদ্ধ পানি, শিশুদের খাবার, স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং পশুর খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ধসে পড়েছে কয়েকটি সড়কও। কৃষি জমি ও মাছচাষে দেখা দিয়েছে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা।

দ্বিতীয় দফার এ বন্যায় আজবিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে পানিবন্দী মানুষকে কোনো শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়নি। পানিবন্দী কেউ কেউ অনাহারে,অর্ধাহারে দিন পার করছেন। তবে পর্যাপ্ত খাবার মজুদ থাকার দাবি করেছে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন

সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের দিঘলটারী এলাকার সাবিত্রি রানী(৫০) বলেন, মর রাত থেকে ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে, রান্নাঘরেও পানি। সারাদিনও রান্না করতে পারিনি। সরকারিভাবে কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি।

একই এলাকার সন্ধা রানী (৫২) বলেন, আমিতো মাঠে কাজ করে খাই। এখন বন্যা আসছে কি করি খাবজানিনা। বাজার থেকে কিনে আনা সামান্য শুকনো খাবার ছাড়া কিছু নেই আমাদের কাছে।

একই ইউনিয়নের এলাকার সামসুল হক (৪৫) বলেন, আমাদের কষ্টের সীমা নেই। রান্নার কোনো ব্যবস্থা নেই। ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছি। সরকার বাহাদুর তো আমাদের দিকে তাকায় না।

আরও পড়ুন