নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিসসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও মোটরসাইকেল আটক করেছে বিজিবি। ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি। নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার। বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণার আড়ালে কাটা বা আমদানির ঘটনা উদঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। ৫৩টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভুলবশত চলে যাওয়া সর্বমোট ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আর ই-টিকেটিং সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে টানা ৫ দিনের ছুটি।

সারাদেশে বৈধ ৪৮ হাজার অস্ত্রের মধ্যে জমা ২৭ হাজার।

নিউজ ডেস্ক।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে সারা দেশে লাইসেন্সকৃত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও এখনও ২০ হাজার ২৮৮টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা পড়েনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশে ব্যক্তির নামে মোট ৪৮ হাজার ২৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা অস্ত্র জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ১৮ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছিল যে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সকল বৈধ অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশের সকল পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, যে সকল অস্ত্র এখনও জমা পড়েনি তার একটি বড় অংশ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লাইসেন্সকৃত। এসব অস্ত্রের মালিকদের অনেকে বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে গেছেন অথবা দেশের ভেতরে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই বিশাল সংখ্যক অস্ত্র জমা না পড়ায় নির্বাচনের সময় নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বাহারুল আলম জানান, প্রতিটি অনিবন্ধিত বা জমা না দেওয়া অস্ত্রই নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি। বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্র এবং অবৈধ পথে দেশে আসা অস্ত্রগুলো মোকাবিলা করতে পুলিশ বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

আরও পড়ুন