নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।

কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য সুপরিচিত। এবার সেই পর্যটননগরীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিমান অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর একটি। কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ প্রায় শেষ। আগামী ২ অক্টোবর থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাচ্ছে।

রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন টার্মিনাল ভবন, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাসহ সবকিছুই প্রায় প্রস্তুত। কিন্তু এত বিপুল বিনিয়োগ ও প্রস্তুতির পরও আশংকা রয়ে যাচ্ছে—আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে এয়ারলাইনগুলো কবে প্রস্তুত হবে।

সরকারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ও এয়ারলাইনগুলোর বাণিজ্যিক বাস্তবতার মধ্যে তৈরি হয়েছে এক অদৃশ্য টানাপোড়েন। ফলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে—কক্সবাজার বিমানবন্দর কি সত্যিই আন্তর্জাতিক মানচিত্রে জায়গা করে নেবে, নাকি অবকাঠামো উন্নয়নের গল্পেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে?

কক্সবাজার বিমানবন্দরটির ইতিহাস অনেক পুরোনো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক প্রয়োজনে এটি নির্মিত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে কেবল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হলেও কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের খ্যাতি ও পর্যটন সম্ভাবনার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিকীকরণের দাবি উঠছিল। তবে বাস্তব পদক্ষেপ শুরু হয় প্রায় এক দশক আগে। তখন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সরাসরি রেল সংযোগসহ একাধিক মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

সরকারের পরিকল্পনা ছিল, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটন শহর নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার একটি শক্তিশালী এভিয়েশন ও অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দরটিকে “দুবাইয়ের মতো উড়োজাহাজ রিফুয়েলিং গেটওয়ে” করার স্বপ্নও দেখিয়ে ছিলেন। সেই স্বপ্ন থেকেই শুরু হয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রূপান্তর।

৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে সম্প্রসারিত হয়েছে রানওয়ে। দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,০০০ ফুটে, প্রস্থ ২০০ ফুট। সমুদ্রের ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত করে ১০,৭০০ ফুট পর্যন্ত রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ চলছে, যা ওয়াইড বডির উড়োজাহাজকেও পূর্ণ সক্ষমতায় ওঠানামার সুযোগ করে দেবে।

এ ছাড়া ৩৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার কথা ৩০ সেপ্টেম্বর। বছরে ১৮ লাখ যাত্রী সেবা দেওয়ার সক্ষমতা থাকবে এই টার্মিনালে, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, ২ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাবে। প্রথমদিকে সীমিত আকারে ফ্লাইট শুরু হতে পারে, তবে আগামী মার্চ নাগাদ ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন