নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আলোচনা সভায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

রোববার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব এস রহমান হলে তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আলোচনা সভায়জাহিদুল করিম কচি
“দেশের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে
শহীদ জিয়া কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা”

বিএনপির সমর্থক সংগঠন তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ২১ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক দৈনিক মানবকণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান আলমগীর নূর এর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনরিুজ্জামান টিটু ও সহ সভাপতি নূর হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি। তিনি বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে চির অমর হয়ে আছেন। একমাত্র বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ধারক ও বাহক হচ্ছে বিএনপি। শহীদ জিয়া এক দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কও ছিলেন।

শহীদ জিয়াউর রহমানের পর তার স্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের পতাকা হাতে তুলে নেন। তার আপসহীন নেতৃত্বে আমরা স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছি। বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন সংগ্রাম ও নেতৃত্বে দেশ আজ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। দেশের আগামী দিনের কান্ডারী হবেন শহীদ জিয়ার তনয় তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্বে আজ দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ। সভাপতির বক্তব্যে আলমগীর নূর বলেন, ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ জিয়া এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়া গ্রাম-বাংলার উন্নয়নে অভূতপূর্ব কাজ করেছেন, যার সুফল আজও আমরা ভোগ করছি। তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ কামরুল ইসলাম। অতিথি ও আলোচক ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু, দক্ষিণ জেলা যুবদল সাবেক সভাপতি বদরুল খায়ের চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সরওয়ার, মহানগর বিএনপির সাবেক উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ঝন্টু বড়–য়া, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক জান্নাতুন নঈম চৌধুরী রিকু, নগর বিএনপি নেতা এন আই চৌধুরী, গবেষণা কেন্দ্রের মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি শফিকুর রহমান, সংগঠনের দক্ষিন জেলা কমিটির আহবায়ক হান্নান রহিম তালুকদার, সংগঠনের উত্তর জেলা কমিটির আহবায়ক মুহাম্মদ এনাম, দক্ষিণ জেলা কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ মুছা, সহ সভাপতি মুহাম্মদ সালা উদ্দিন, নারী নেত্রী লিমা আহমেদ, শারাবন তাহুরা কলি, সাজেদা ইয়াছমিন রেখা, ছাত্রনেতা আব বক্কর, নজরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মাজেদ, মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, মুহাম্মদ ফারুক, মুহাম্মদ মামুন, নুরুল করিম, মুহাম্মদ আলমগীর প্রমুখ।

 

আরও পড়ুন