আন্তর্জাতিক ডেস্ক।
ফেব্রুয়ারি ২০: অশ্ববর্ষ বা ঘোড়ার বছর উপলক্ষ্যে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) মহাসচিব নুরল্যান ইয়েরমেকবায়েভ চায়না মিডিয়া গ্রুপকে (সিএমজি) দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে চীনাজনগণকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
কাজাখস্তানের একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক হিসেবে ইয়েরমেকবায়েভ ১৯৯৩ সালে প্রথম চীন সফর করেন এবং মোট চারবার চীনে তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, বসন্ত উৎসব তাঁর প্রিয় ঐতিহ্যবাহী চীনা উৎসবগুলোর মধ্যে একটি; কারণ এটি পারিবারিক পুনর্মিলন এবং শুভকামনা প্রকাশের উৎসব। গত বছর সম্পর্কে মহাসচিব বলেন, এসসিও-তে ‘চীনের বছর’ অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও বাস্তবসম্মত ছিল, যা সংস্থার উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে, বসন্ত উৎসবের যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে ভালো লাগে তা হলো—এ সময় মানুষ তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে পারে, প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে পারে এবং নিজ নিজ জন্মস্থানে ফিরতে পারে। তারা যতই দূরে থাকুক, যতই ব্যস্ত থাকুক বা জীবন যতই দ্রুতগতির হোক না কেন—পরিবারের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ। তাই আমরা এই উৎসবকে খুব ভালোবাসি। এমনকি আমরা বিদেশিরাও সবসময় আমাদের চীনা বন্ধুদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই। আমার মাতৃভূমি কাজাখস্তানেও মানুষ ঘোড়াকে খুব ভালোবাসে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, ২০২৫ সালে চীন এসসিও-এর সভাপতিত্ব করেছে এবং বছরটি ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও বাস্তবসম্মত। এখন শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার পর্যায়ক্রমিক সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে কিরগিজস্তান এবং তারা প্রাসঙ্গিক কাজে সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়েছে। আমি প্রথম ১৯৯৩ সালে চীনে কাজ করতে এসেছিলাম। অন্য অনেকের মতো আমিও রাষ্ট্র পরিচালনায় চীনের দক্ষতা ও গুণমান এবং উন্নয়নের গতি ও কাঠামোগত উচ্চস্তরের পরিকল্পনার গভীর প্রশংসা করি। আজ বিশ্ববাসী উচ্চপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চমানের উৎপাদনে চীনের অসাধারণ সাফল্য দেখতে পাচ্ছে। বিশেষ করে পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রতিবেশগত (ইকোলজিক্যাল) নির্মাণে এর অগ্রগতি খুবই উল্লেখযোগ্য।”
সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি বলেন, “আমি সমস্ত চীনা বন্ধুদের সাফল্য, অসীম জীবনীশক্তি এবং একটি সুখী পারিবারিক জীবন কামনা করছি। শুভ চীনা
আমারদেশ২৪ ডেস্ক।









