নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য বিদ্যানন্দের ব্যতিক্রমী আয়োজন, উদ্বোধন করলেন : চসিক মেয়র।

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

নগরীতে পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষের অংশগ্রহণে আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হয়েছে ২ দিনব্যাপী ঈদ উৎসব। নগরীর বিপ্লব উদ্যানে আয়োজিত এ উৎসবে বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ আয়োজন করেছে।আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সিটি মেয়র আনুষ্ঠানিকভাবে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন।উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয়েছে বিরিয়ানি, পায়েসসহ বিভিন্ন খাবারের আয়োজন। পাশাপাশি নাগরদোলা ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যা শিশুদের মধ্যে বাড়তি আনন্দ যোগ করে।

অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আগতদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় শিশুদের মাঝে ঈদ সালামি বিতরণ এবং ৫০ জন অসহায় বৃদ্ধ নারীর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মেয়র বলেন, “সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য নিরসনে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যে ভূমিকা পালন করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবানরা যদি ছিন্নমূল মানুষের অধিকার আদায়ে এগিয়ে আসেন, তাহলে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, “ঈদ আমাদের কাছে সাম্য, সম্প্রীতি ও ত্যাগের বার্তা নিয়ে আসে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন— ‘গাহি সাম্যের গান— যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান’। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি, ঈদে ধনী-গরীবের বৈষম্য আরও প্রকট হয়ে ওঠে। কেউ যখন নুন আনতে পান্তা ফুরায়, তখন অন্যরা বিলাসে মেতে ওঠে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা পরিবারের জন্য ন্যূনতম খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খান, তাদের জন্য ঈদ অনেক সময় বিষাদের হয়ে ওঠে। তারা সাহায্য নয়, চায় সম্মান ও আত্মমর্যাদা। সেই সম্মান নিশ্চিত করতেই আমাদের এ আয়োজন।”উৎসবটি আগামীকালও চলবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।। 

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন