জয়পুরহাট থেকে আসা দর্শনার্থী বিলকিস বেগম জানান পাখি পল্লীর ঝুলন্ত সেতুতে ছবি না তুললে সত্যিই অপূর্ণতা থেকে যেতো যান্ত্রিক জীবনের যাঁতাকল থেকে বেরিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের একটু প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে পাখি পল্লীতে ঘুরতে আসার কোন বিকল্প নেই। আগামীতে আরো দর্শনীয় ও আকর্ষনীয় হবে এই পাখি পল্লী এমনটিই আশা প্রকাশ করেন এই দর্শনার্থী।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান জানান আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্রের আদলে ঢেলে সাজানো হচ্ছে রক্ত দহবিল পর্যটন এলাকা ও পাখি পল্লীকে। ঝুলন্ত সেতুর আদলে একটি আকর্ষনীয় ব্রীজ নির্মাণের দাবী ছিলো পর্যটকদের। সেই প্রধান চাওয়া ইতোমধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সন্ধ্যার পরও যেন পর্যটকরা পাখি পল্লীতে এসে স্বাচ্ছন্দবোধ করে সেই লক্ষ্যে স্থাপন করা হয়েছে সোলার স্টিট লাইট। এছাড়া রক্তদহ বিলের ইতিহাস সম্বলিত একটি মুক্তমঞ্চ নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ও আধুনিক পিকনিক স্পট নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া রক্তদহ বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে রক্ত দহ বিলের বিশাল জলরাশির জলকেলি যেন সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এমন সৌন্দর্য সহজেই উপভোগ করার জন্য স্থানীয় সাংসদ ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে দ্রুতই প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এই পাখি পল্লীকে একটি সময়োপযোগী আধুনিক মানের আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিনির্মাণ করার আশ্বাস প্রদান করেন এই কর্মকর্তা।
আমারদেশ২৪ নিউজ।









