নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

গাড়িটি হঠাৎ কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় তলিয়ে গেল।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

পদ্মায় ফেরিঘাটে দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে ২৬টি প্রাণ। এ দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। পন্টুন থেকে গাড়িটি হঠাৎ কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় তলিয়ে গেল  নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। তবে এসব প্রশ্নের মধ্যে একটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে চালক নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন। তার মরদেহও উদ্ধার হয়েছে।নিহত বাসচালকের নাম আরমান খান (৩১)। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পশ্চিম খালখুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।

দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির অপেক্ষায় থাকা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাসচালক ব্রেক চাপলেও ওই সময় কাজ করেনি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু বাসের স্টার্ট বন্ধ থাকলে পরে স্টার্ট দিয়েই ব্রেক চাপ দিলে তা মুহূর্তে কাজ করে না। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

এ রুটে দীর্ঘদিন কাজ করা মেকানিকদের দাবি, বাসটির ব্রেকের হাওয়া বা এয়ার প্রেশার শেষ হয়ে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তাদের ভাষ্য, টাটা কোম্পানির টিসি মডেলের বাসে ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে অনেক সময় ব্রেকে প্রয়োজনীয় চাপ থাকে না, ফলে গাড়ি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে।

ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালক একাধিকবার চেষ্টা করেও বাসটি থামাতে পারেননি।  প্রশ্ন উঠেছে বাসটি ড্রাইভার চালাচ্ছিলেন না। হেল্পার চালিয়ে ফেরিতে ওঠাচ্ছিলেন।

বাসের যাত্রী আবুল কালাম ফেরিঘাটের আগে যানজটের কারণে দুর্ঘটনার দুই মিনিট আগে বাস থেকে নেমে পড়েন। তিনি বলেন, যে চালক চালাচ্ছিলেন ফেরিতে তিনিই ওঠাচ্ছিলেন। তার কোমরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝোলানো দেখেছি।

সৌহার্দ্য বাসের অন্য একজন চালক বলেন, গাড়ি স্টার্টে থাকলে হাওয়া চলে যায় না। কিন্তু স্টার্ট বন্ধ করলে হাওয়া যাবেই। মিটারে খেয়াল করলে হাওয়া কমে যাচ্ছে নাকি ঠিক আছে তা দেখা যায়। হাওয়া ওঠাতে হলে কিছু সময় আগে গাড়ি স্টার্টে রাখতে হবে। দুর্ঘটনাকনলিত বাসের চালক স্টার্ট দিয়েই হাওয়া না দেখেই টান দিয়েছেন। এ কারণে ব্রেক চাপলেও ব্রেকে কাজ করেনি।

দৌলতদিয়া বাজারের বাসের মেকানিক বাবুল ইসলাম বলেন, ব্রেকের হাওয়া একটি সিস্টেম। এই সিস্টেম কাজ না করলে চালকের কিছু করার থাকে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, ব্রেকের হাওয়া হচ্ছে এয়ার ব্রেক সিস্টেম। এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্রেকিং পাওয়া যায়। আধুনিক এই ব্রেকিং সিস্টেম কেন মাঝপথে ফেল করল তা খুঁজে বের করা দরকার।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন