নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
তারেক রহমান তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঢাকার অধিকাংশ পার্ক ও মাঠ উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে দখলমুক্ত। শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের পদত্যাগের দাবি। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের ৭ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। পরীক্ষার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছুরি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটি অংশ বর্ষা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। স্কুলশিক্ষিকাকে ঘরে আটকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে এক ছাত্রীর মা। এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। রোমান্টিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন কেয়া পায়েল।

৯০ দিনের মধ্যেই শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন দেখা যায়।

লাইফস্টাইল ডেস্ক।

নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহণের অভ্যাস শরীরের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাঁদের মতে, প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেলে প্রায় ৯০ দিনের মধ্যেই শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন দেখা যায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহ একটি প্রাকৃতিক জৈবঘড়ির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা ঘুম, ক্ষুধা ও হজম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। খাবারের সময় প্রতিদিন পরিবর্তিত হলে শরীরকে বারবার মানিয়ে নিতে হয়, যা এই ছন্দে ব্যাঘাত ঘটায়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে শরীর সহজে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।

প্রথম কয়েক সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময়ে ক্ষুধা লাগা শুরু হয় এবং অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এ সময় ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলো নতুন সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য তৈরি করে।

প্রায় এক মাস পর শরীরে শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল হতে শুরু করে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা কমে আসে। ফলে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি হজমজনিত অস্বস্তি, যেমন পেট ফাঁপা—এসব সমস্যাও কমতে পারে।

প্রায় এক মাস পর শরীরে শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল হতে শুরু করে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা কমে আসে। ফলে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি হজমজনিত অস্বস্তি, যেমন পেট ফাঁপা—এসব সমস্যাও কমতে পারে।

প্রায় ৯০ দিনের মধ্যে এই অভ্যাস একটি স্বাভাবিক রুটিনে পরিণত হয়। তখন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে, রাতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ঘুমের মান উন্নত হতে পারে। এছাড়া শরীরের বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) স্থিতিশীল থাকায় অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমার প্রবণতাও কিছুটা কমে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, শুধু খাবারের সময় ঠিক রাখলেই যথেষ্ট নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমের সঙ্গে এই অভ্যাস মিলিয়ে নিলে তবেই সামগ্রিক স্বাস্থ্যে ভালো ফল পাওয়া যায়।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

আরও পড়ুন