নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মুরাদপুর ফ্লাইওভারের উপর থেকে  ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই। তীব্র লোডশেডিং, অন্যদিকে জ্বালানি তেল নিয়ে সংকট। দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে সাত জন নিহত। বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক: সরকার প্রধান। বিশ্ব ক্রিকেটের ঘরোয়া লিগগুলোতেও এখন আলোচিত এক নাম: মোস্তাফিজ। সবকিছু ঠিকই আছে, তবে কাছে গেলে বোঝা যায় বাজারে ঠিকঠাক বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না। ৯০ দিনের মধ্যেই শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন দেখা যায়। নোরা ফাতেহির নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি’ নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। জরুরি ভিত্তিতে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সশরীরে হাজির হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন জনপ্রিয় র‍্যাপার বাদশা।

সবকিছু ঠিকই আছে, তবে কাছে গেলে বোঝা যায় বাজারে ঠিকঠাক বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না।

কাজী জাহাঙ্গীর : চট্রগ্রাম।

দূর থেকে দেখলে মনে হবে সবকিছু ঠিকই আছে, তবে কাছে গেলে বোঝা যায় বাজারে ঠিকঠাক বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না সর্বোচ্চ দামে কিনতে হচ্ছে সোনালি মুরগি। এছাড়াও বাজারে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। এখন ৮০ টাকার নিচে পেঁপে-গাজর ছাড়া তেমন কোনো সবজিও নেই। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের বাজার যেন এক অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে।শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল মিললেও সরবরাহ কম। আধা লিটার, ১ লিটার ও ২ লিটারের বোতল বেশিরভাগ দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কিছু দোকানে খোলা সয়াবিন তেল মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে।

এখন সরকার নির্ধারিত ১ লিটার বোতলজাত তেলের দাম ১৯৫ টাকা। অন্যদিকে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা এবং পাম তেলের নির্ধারিত দাম ১৬৪ টাকা। তবে বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়।

খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ডিলাররা তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। এ অবস্থা মাসখানেকের বেশি সময় ধরে চললেও গত তিন-চার দিন ধরে একেবারেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ঈদের পর থেকে রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা দরে, যা কয়েক দিন আগেও ৪৫০ টাকা পর্যন্ত ছিল।

খামারিরা বলছেন, খামারে খামারে বার্ড ফ্লুসহ নানা রোগে ব্যাপক হারে মুরগি মারা যাচ্ছে। যে কারণে সরবরাহ কমে গেছে এবং দামও বেড়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনালি মুরগির চাহিদাও অনেক কমে গেছে।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ২২০ টাকায় পৌঁছে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।

অন্যদিকে বাজারে ডিমের দাম বেড়েছে। ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন ডিম ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১১০ টাকার মধ্যে। পাড়া-মহল্লার কিছু কিছু খুচরা দোকানে ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। বেশিরভাগ সবজিই এখন ৮০ টাকা বা তার কাছাকাছি দামে বিক্রি হচ্ছে। শুধু আলুর কেজি ২৫ টাকা এবং পেঁপে ও গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে এখন প্রতি কেজি পটোল ও ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা, শিম ও সজিনা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, বরবটি ও করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাকরোল ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন