টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে হতাশার পর টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ,তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে হারলেও পরের দুই ম্যাচে দাপট দেখিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। রোববার (১৯ জুলাই) হারারেতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের ৪ উইকেটে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় তাওহীদ হৃদয়ের দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন ডিওন মায়ার্স। ৫৩ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৭৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা করেন ৩ রান, রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। অন্য ব্যাটাররা বড় কোনো অবদান রাখতে পারেননি।
বাংলাদেশের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। চার ওভারে ৩৫ রান খরচায় তিনি তুলে নেন দুটি উইকেট। মাহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন ও আবদুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন। পাশাপাশি দুটি রানআউটও জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহ গড়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মজবুত করেন। ইমন ২২ বলে ২৪ রান করে বিদায় নিলেও তানজিদ একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন।
অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ১৯ বলে ২৪ রান করেন। ইয়াসির আলী খেলেন ৯ বলে ১০ রানের ইনিংস। শেষদিকে দ্রুত দুটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও তানজিদ হাসান দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। তিনি ৫৮ বলে অপরাজিত ৬৬ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ৪টি ছক্কা। ম্যাচের ১৯.৪ ওভারে মাহেদী হাসানের বাউন্ডারিতে জয়ের লক্ষ্য স্পর্শ করে বাংলাদেশ। ফলে ২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স দুটি করে উইকেট নেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও দুটি উইকেট শিকার করেন। তবে তাদের বোলিং শেষ পর্যন্ত দলকে পরাজয় থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
amardesh24.com









