স্পোর্টস ডেস্ক।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার ম্যাচটি ‘ব্যাটল অব ন্যুরেমবার্গ’ নামে পরিচিত। সেই ম্যাচে রেফারি ১৬টি হলুদ এবং ৪টি লাল কার্ দেখিয়েছিলেন, যা বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড।
আফ্রিকার দল ক্যামেরুনও এ তালিকায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তুলনামূলকভাবে অনেক কম ম্যাচ খেলেও দলটি ৯টি লাল কার্ড দেখেছে। ফলে ম্যাচপ্রতি লাল কার্ডের হার বিবেচনায় তারা ব্রাজিলের চেয়েও এগিয়ে।
আধুনিক ফুটবলে অবশ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) চালুর পর বিপজ্জনক ট্যাকল, কনুই মারা বা ইচ্ছাকৃত আঘাত আরও নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি কোচরাও খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলার বিষয়ে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক। ফলে সাম্প্রতিক বিশ্বকাপগুলোতে অপ্রয়োজনীয় লাল কার্ডের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে।
ফুটবলে একটি লাল কার্ড কখনও দলের স্বপ্ন ভেঙে দেয়, আবার কখনও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কিন্তু কোনো দলের মোট লাল কার্ডের সংখ্যা দিয়ে তার ফুটবল ঐতিহ্য বিচার করা যায় না। ব্রাজিলই তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ডের রেকর্ড যেমন তাদের, তেমনি পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্বও একমাত্র তাদেরই। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, ফুটবল কেবল সৌন্দর্যের খেলা নয়, এটি আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও তীব্র লড়াইয়েরও প্রতীক।
amardesh24.com









