নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

ইতিহাস সৃষ্টি করা ২০২৪ বিদায় নিচ্ছে আজ।

২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। এ বছরের শুরুটা হয় রাজনৈতিক উত্তাপ–উত্তেজনা দিয়ে। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরেই ছিল এ উত্তেজনা। সরকার পতন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ওই সময়ে আন্দোলনরত বিএনপি’সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করে। দাবি আদায়ে হরতাল–অবরোধ এবং ‘অসহযোগ আন্দোলন’ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ছিল দলটি। এরপরও সম্পন্ন হয় নির্বাচন। সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা।

কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার টানা ৩৬ দিনের আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে পতন হয় তার। শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যান ভারতে। বিজয় হয় ছাত্র–জনতার। বাংলাদেশে রচিত হয় নতুন ইতিহাস। এরপর অতিক্রম হয়েছে আরো প্রায় পাঁচ মাস। এ সময়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে এ বছর দায়িত্ব নেয়া ক্ষমতাসীন অন্তর্বর্তী সরকার।

শুধু সরকার গঠন ও পতন নয়। নানা কারণে ২০২৪ অর্থবহ দেশবাসীর কাছে। নানা ঘটনার সাক্ষী বছরটি। ক্যালেন্ডারের পাতায় জুলাই আসে ৩১ দিনে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার কাছে এ বছরের জুলাই ছিল ৩৬ দিনের। ১ জুলাই শুরু হওয়া আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে ৫ আগস্ট।

আন্দোলনকারীরা বলেছিল ‘জুলাই মাসেই শেখ হাসিনার পতন ঘটাবেন তারা।’ তাই ৩১ জুলাই–এর পরও আগস্ট মাসকে গণনা করে জুলাই হিসেবে। ওই হিসেবে তাদের কাঙ্ক্ষিত বিজয় আসে ৩৬ জুলাই। যা ক্যালেন্ডারের পাতায় ৫ আগস্ট।

তবে এ বিজয় এমনি এমনি আসেনি। এ জন্য প্রাণ গেছে বহু তরুণের। গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেলের খসড়া তালিকা অনুযায়ী, সরকার পতন আন্দোলনে সারা দেশে ৮৫৮ জন নিহত এবং সাড়ে ১১ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে প্রাণ হারান ১২ জন।

চট্টগ্রামে নিহতরা হচ্ছেন– চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র ওয়াসিম আকরাম, এমইএস কলেজ ছাত্র ফয়সাল আহমেদ শান্ত, আশেকান আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্র তানভীর ছিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হৃদয় চন্দ্র তড়য়া, জুতার দোকানের কর্মচারী শহীদুল ইসলাম, রিকশাচালক জামালউদ্দিন, কাঠমিস্ত্রী মো. ফারুক, দোকান কর্মচারী মাহিন হোসেন সাইমুন, কার্টন ফ্যাক্টরির কর্মচারি মো. আলম, শ্রমিক মো. ইউসুফ, শিক্ষার্থী ইশমামুল হক, শিক্ষার্থী ওমর বিন নুরুল আবছার।

 

 

আরও পড়ুন