নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

বিডিআর বিদ্রোহের বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ।

নিউজ ডেক্স।
 রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫
facebook sharing button
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলার জামিন শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ রোববার জানুয়ারি ২৫ কেরানীগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী আদালতে এই কার্যক্রম শুরু হবে।
এর আগে এই মামলার বিচার কার্যক্রম বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী আদালতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।জানা গেছে, কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিচারক হলেন মো. ইব্রাহিম মিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বোরহান উদ্দিন।
৫ আগস্টের পর আদালতের অবকাঠামো তছনছ করা হয়। এরপর গত ৮ জানুয়ারি অস্থায়ী আদালতের কক্ষ কে বা কারা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। পরে আইন মন্ত্রণালয় কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী আদালত ভবনকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়।
বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এই মামলার বিচার ঝুলে যায়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে এখনো।
জামিন শুনানি ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন ৪০০ বিডিআর  পরিবারে সদস্যের পরিবার। আদালত নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ায় দ্রুত বিস্ফোরক মামলার সুরাহা হবে বলে মনে করছেন মামলা সংশ্লিষ্টরা।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, ঘটনার সময় পিলখানাতে না থেকেও আসামি হয়েছেন অনেকে। আবার ছুটি থাকায় গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে নাম ঢোকানো হয় আসামির তালিকায়। বিস্ফোরক আইনের মামলায় দেড় দশক বন্দি থেকে জীবনের সবই হারিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন