নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

সাবেক মেয়র খালেক ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক:
বুধবার, ২১ মে, ২০২৫
খুলনা সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী বাগেরহাট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বেগম হাবিবুনেের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনার সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদক কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম জানান, খুলনা সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণে আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চলমান। এমতবস্থায় তিনি ও তার স্ত্রী বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে দুদকের কাছে তথ্য আসে। এ কারণে ১৩ মে খুলনার মহানগর স্পেশাল জজ আদালতে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। গত ১৫ মে আদালত আবেদন গ্রহণ করে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। পরে আদালতের আদেশের কপি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক এবং বিশেষ পুলিশ সুপার ইমিগ্রেশনের কাছে পাঠানো হয়।
এর আগে ২৪ মার্চ তালুকদার আবদুল খালেক ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করে দুদক। খালেক ও তার স্ত্রী হাবিবুন নাহার এখনো দেশেই আছেন বলে মনে করছেন দুদক কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট থেকে খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এবং তার স্ত্রী বাগেরহাট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বেগম হাবিবুন নাহার পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বাঁধা, গুলি চালানো ও হত্যা মামলা হয়েছে।
এ ছাড়া বেশ কয়েকটি নাশকতার মামলাও হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ রয়েছে রাজস্ব ফাঁকি, দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি করে তারা গড়ে তুলেন সম্পদের পাহাড়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে লাগামহীন দুর্নীতি এবং অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা ছিল তালুকদার আব্দুল খালেকের প্রধান কাজ।

আরও পড়ুন