নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ: তাসনিম জারা। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার ৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যুর। হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর। যুদ্ধবিরতির মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশ ড্রোন হামলা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রোগী পরিবার।

২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অধ্যাপক বারকাত কারাগারে।

২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অধ্যাপক আবুল বারকাত কারাগার
আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
অ্যাননটেক্সের ঋণ জালিয়াতি করে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ তার তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
পরে তার উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়। এ সময় আসামিপক্ষে তার আইনজীবী আব্দুল আউয়াল জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তবে সংশ্লিষ্ট আদালতে রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হবে বলে জানান বিচারক। একইসঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
জনতা ব্যাংকে অ্যাননটেক্সের ঋণ জালিয়াতি করে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক নাজমুল হুসাইন। 
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমির মালিক হওয়ার আগেই ঋণ গ্রহীতা নিজের বলে এবং স্থাপনা দেখিয়ে ব্যাংকে বন্ধক রাখে। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘প্রতারণা, মিথ্যা নথি তৈরি, জালিয়াতির’ মাধ্যমে জমিতে বাস্তবে কোনো স্থাপনা বা কারখানা না থাকা সত্ত্বেও মূল্যায়ন করে।
স্থাপনাবিহীন ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকায় কেনা জমিকে ১৬৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা মূল্যায়ন করা (অতি মূল্যায়ন) হয়। এর মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন, বিতরণ এবং গ্রহণের মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা ‘আত্মসাৎ’ করেছেন আসামিরা।

আরও পড়ুন