ঢাকার পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় আটক মো. মোক্তার হোসে (৪০) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার মোক্তারের মারা যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ডিএমপি। তারা এই ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে।
কিবরিয়া (৪৭) ছিলেন পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব। পাশাপাশি তিনি চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করতেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় মুখোশধারী ৩ সন্ত্রাসী মিরপুর ১২ নম্বরের একটি দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করেন।
পরবর্তীতে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নজরুল, মাসুম ও জামান নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে এবং ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি মো. মোক্তার হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তির কাছে আছে বলে জানায়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যে মোক্তারকে ডিবির একটি টিম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এসময় উত্তেজিত জনতা মোক্তারকে কিল-ঘুষি মারে।








