নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
হাদি হত্যা মামলার ২ আসামিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত সম্মত। সপ্তাহে ৩ দিন সরাসরি পাঠদান: আর ৩ অনলাইনে ক্লাস করবে। শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদন্ড। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ এপ্রিল যশোর যেতে পারেন। তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম আরও এক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৩৬ জন। বিসিবি, বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন করে ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন। বিকেলে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ছাএলীগের নেএী তামান্না জেসমিন রিভাকে একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ওজন কমাতে সেরা ৫টি খাবার।

স্বাস্থ্য ডেস্ক।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই লক্ষণীয় বিষয় হলো আপনি ক্যালরি কতটা নিচ্ছেন তা খেয়াল করা। বাড়তি ওজন কমাতে হলে শুধু খাদ্যতালিকা থেকে ফ্যাটজাতীয় খাবার বাদ দেওয়াই মূল কথা নয়।

স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যতালিকা তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যথাযথ ও নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের মধ্যে রয়েছে কিনা। একইসঙ্গে দৈনিক কোন কোন খাদ্য উপাদান শরীরে প্রবেশ করছে এবং তা আপনার সঠিক ওজন ধরে রাখতে কতটুকু সহায়তা করছে, তা জানা জরুরি।

বাড়তি ক্যালরি পোড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আবার যেসব খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কম, সেগুলো রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারী এসব উপাদান শরীর থেকে চর্বি দূর করে।

একবার দেখে নিন, ওজন কমাতে ও ক্যালরি পোড়াতে কোন কোন খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন:

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার

পরিপাক প্রক্রিয়া চলাকালে প্রোটিন এক ধরনের তাপ উৎপন্ন করে।

ফলে শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ ক্যালরি ভেঙে যায়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মাছ, কম ফ্যাট-উচ্চ ফাইবার ও প্রোটিন সমৃদ্ধ মটরশুটি এবং প্রয়োজনীয় চর্বি ও ফাইবারসমৃদ্ধ বাদামে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। এগুলো শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট অপসারণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। অনেকের অজানা তথ্য হলো—ডিমও ক্যালরি পোড়াতে সহায়ক।

শস্যদানা

প্রতিদিনের খাবারে শস্যদানা রাখা প্রয়োজন। ভিটামিন বি, ই, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবারসমৃদ্ধ শস্যদানা চর্বি কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখে। শস্যদানা হিসেবে ওটমিল, জোয়ার, বাজরা, রাগি ইত্যাদি উপকারী। ওটমিলে রয়েছে বিটা গ্লুকেন, যা চর্বি শুষে নেয়। ধীরে হজম হওয়ায় দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগে না।

আপেল

আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক এক ধরনের জেলজাতীয় উপাদান। পানি ও নির্দিষ্ট পরিমাণ ফাইবারের সংমিশ্রণে এটি দীর্ঘসময় ক্ষুধা নিবারণে সহায়ক।

দারুচিনি

দারুচিনি চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি রক্তের শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। সকালে চায়ের কাপে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া অথবা হালকা গরম জলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে খাওয়া উপকারী।

সবুজ পাতাযুক্ত শাক-সবজি

উচ্চ ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সবজি ক্যালরি কমায়। এসব শাক-সবজির জুস শরীরকে শুদ্ধ করে (বডি ক্লিনজিং) এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে চর্বি কমায়।

আমারদেশ২৪ নিউজ। 

 

আরও পড়ুন