রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক সহায়তা বাড়ায় পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে
ঋণ: ঝুঁকি নাকি সুযোগ?
বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বৈদেশিক ঋণ নিজে সমস্যা নয়—যদি তা উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা হয়।
তার মতে, বাংলাদেশের জিডিপির তুলনায় বিদেশি ঋণ এখনো সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে ঋণের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে তা বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ভবিষ্যতে শোধের চাপ বাড়ার শঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন—ঋণের পরিমাণের চেয়ে বড় উদ্বেগ হলো সুদ ও কিস্তি পরিশোধের চাপ। ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের ঋণ শোধ শুরু হলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে, বিশেষ করে যদি রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রত্যাশামতো না বাড়ে।
সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক অর্থায়ন প্রয়োজন হলেও ঋণের ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
অর্থনীতিবিদরা তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো হলো-ঋণের কার্যকর ও উৎপাদনশীল ব্যবহার, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানো এবং নতুন ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন।
সব মিলিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে বৈদেশিক ঋণ তাৎক্ষণিকভাবে সংকটজনক না হলেও, এর সঠিক ব্যবস্থাপনাই নির্ধারণ করবে—এটি ভবিষ্যতে অর্থনীতির জন্য বোঝা হবে, নাকি উন্নয়নের চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
আমারদেশ২৪ নিউজ।









