যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও প্রতিবেশী ভারতের সহায়তায় আপাতত স্বস্তি ফিরছে দেশে।পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ৭ হাজার টন ডিজেল আসা শুরু হওয়ায় সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বাস্তব প্রতিফলন হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই জ্বালানি দেশে প্রবেশ শুরু হয়েছে এবং পুরো চালান পৌঁছাতে আরও এক থেকে দুই দিন সময় লাগতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, সমুদ্রপথে জাহাজের সূচি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় পাইপলাইন এখন নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চলতি মাসে ১৭টি জাহাজে ডিজেল আসার কথা থাকলেও এসেছে মাত্র ৯টি। এই ঘাটতি সামাল দিতেই পাইপলাইনের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে। ভারতের নুমালিগড় শোধনাগার থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল এসেছে, যা সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছাচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতায় জাহাজ সংকট ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে এই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হবে না। সামনে সেচ মৌসুম থাকায় সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
আমারদেশ২৪ নিউজ।









