নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পেকুয়া উপজেলায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তা। ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২৫ ও ২৪ ব্যাচের এবং অতীতে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। প্রিয় ক্যাম্পাসে ফিরে শনিবার পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেন : তারেক রহমান ডা. জুবাইদা রহমান। সেই আন্দোলনের মূল অঙ্গীকার থেকে সরে গেছে: নাহিদ। পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে জেলার দক্ষিণাঞ্চলে। ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাসচাপা ৫ জন নিহত। সন্ধ্যায়ও ৪ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল। ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং আরেক ইউরোপীয় পরাশক্তি বেলজিয়াম। আবারও ঢাকা মাতাতে আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন ‘ন্যাশনাল ক্রাশ’ খ্যাত অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা।

টলেডোতে প্রশিক্ষণ চলাকালে আকাশে উড়ন্ত একটি বিমানের দরজা খুলে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন একজন পাইলট।

আর্জেন্টিনার মধ্যাঞ্চলীয় শহর টলেডোতে প্রশিক্ষণ চলাকালে আকাশে উড়ন্ত একটি বিমানের দরজা খুলে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন একজন পাইলট।তবে সেই সংকটময় মুহূর্তে বিমানে থাকা ২২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অসাধারণ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে একাই বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করাতে সক্ষম হন।

এর আগে বুধবার সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। দেশটির পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত পাইলটের নাম লিয়ান্দ্রো আন্দ্রেস বেরতাজ্জো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সেসনা-১৫০ মডেলের একটি প্রশিক্ষণ বিমানে শিক্ষার্থী রোজারিওকে নিয়ে উড্ডয়নের সময় হঠাৎ বেরতাজ্জো তাকে বলেন, ‘তুমি জানো তোমাকে কী করতে হবে, চালিয়ে যাও।’

এরপর তিনি নিজের হেডসেট ও সিটবেল্ট খুলে বিমানের দরজা খুলে নিচে ঝাঁপ দেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিএনের কাছে দেওয়া বক্তব্যে শিক্ষার্থী রোজারিও এ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

বেরতাজ্জো যে ফ্লাইং স্কুলে প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এদুয়ার্দো আলভারেজ বলেন, সহকর্মীরা কখনোই তার মধ্যে এমন কোনো আচরণের ইঙ্গিত দেখেননি। তার ভাষায়, বেরতাজ্জো ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক ও হাসিখুশি একজন মানুষ। তার এই মৃত্যু সবাইকে বিস্মিত করেছে।

আলভারেজ আরও বলেন, উড্ডয়নরত অবস্থায় একটি ছোট বিমানের দরজা খোলা মোটেও সহজ নয়। তার মতে, এটি প্রায় ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে চলা একটি গাড়ির দরজা খোলার মতোই কঠিন।

ঘটনার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায়ও শিক্ষার্থী রোজারিও শান্তভাবে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন এবং নিরাপদে অবতরণ করেন। এতে বিমানের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, লিয়ান্দ্রো আন্দ্রেস বেরতাজ্জো একজন অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন। তিনি প্রতিবেশী দেশ চিলিতেও ফ্লাইট প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পুরো ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আর্জেন্টিনার পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয়।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন