নিউজ ডেস্ক।
আমাদের লোকোমোটিভ (ট্রেনের ইঞ্জিন) সংখ্যা কম, এজন্য স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা কমানো হয়েছে
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ হলেও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে পরিবহনের সক্ষমতা বাড়েনি৷ রেলের লোকোমোটিভ, কোচ যে পরিমাণে দরকার সেগুলো বাড়েনি। ঈদকেন্দ্রিক নিম্নআয়ের মানুষের বাড়ি ফেরার মূল মাধ্যম ট্রেন। বাসের ভাড়া বেশি, এজন্য তুলনামূলকভাবে ট্রেনের চাহিদা অনেক।
তিনি বলেন, দু-তিন বছর আগেও ঈদে যেখানে ১০ জোড়া স্পেশাল ট্রেন থাকতো, লোকোমোটিভ ও কোচ সংকটের কারণে সেটি কমে ৫ জোড়ায় এসেছে। ঢাকা শহরে মানুষ বাড়ছে, কর্মসংস্থানের জন্য মানুষ ঢাকায় আসে। ঈদে সবাই বাড়ি ফিরতে চায়। এসময় ট্রেনের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ট্রেনের সংখ্যা কমেছে। অর্থাৎ, চাহিদা ও জোগানের মধ্যে যে ফারাক রয়েছে, সেটি আরও বাড়ছে।
‘রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন স্টেশনে অবৈধ যাত্রী অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু যখন পোশাক কারখানা ও অন্য কর্মস্থলগুলোতে একযোগে ঈদের ছুটি শুরু হয় তখন ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ সামাল দেওয়া খুবই কঠিন। তখন কিন্তু এসব পদক্ষেপ আর কাজ করবে না। লোকজন পারলে ট্রেনের ছাদে উঠে যাবে।’
ড. হাদিউজ্জামান বলেন, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে যেসব যাত্রীদের কাছে টিকিট থাকবে ভিড় ঠেলে নির্দিষ্ট ট্রেনের আসন পর্যন্ত পৌঁছুনো তাদের জন্য এবার আরও কষ্টকর হতে পারে।
রেলওয়ে অনেকগুলো বিলাসী প্রকল্প করেছে। কিন্তু যেসব জায়গায় ঘাটতি সেখানে বিনিয়োগ হচ্ছে না। এখনো ইঞ্জিন ও কোচের ঘাটতি রয়ে গেছে। মেয়াদউত্তীর্ণ ইঞ্জিনে জোড়াতালি দিয়ে চলছে অনেক ট্রেন। এসব খাতে সবার আগে বিনিয়োগ করা উচিত ছিল। সব মিলিয়ে পরিকল্পনায় ত্রুটি ছিল’—যোগ করেন এ যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ।
আমারদেশ২৪ নিউজ।









