নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের আজ জম্মদিন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম বিমান বাহিনী কমান্ডার ট্রাইব্যুনালে হাজির। সাবেক আইনমন্ত্রীর ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় এক যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড। প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে|: সরকার। আগামী নভেম্বর থেকে উম্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন। সংসদ স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ফ্লাইট চলাচল শুরু। জুলাই-আগস্ট ২৪ ছাত্র-জনতার মামলায় ২৩ জনকে মৃত্যুদন্ড যাবজ্জীন১১। মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ অভিযান।

ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এ অনিয়মের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ অভিযান’ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী নয়াদিল্লি। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বলয় ভেঙে সংসদ ভবনের মূল ফটকের বাইরে অবস্থান নিলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ ভবনে উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে তার গাড়িবহর দ্রুত সংসদ এলাকা ত্যাগ করে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল থেকেই সংসদ ভবন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় দিল্লি পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে লোহার ব্যারিকেড বসানো হলেও বিক্ষোভকারীরা সেগুলো ভেঙে সংসদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধস্তাধস্তিতে কয়েকজন আন্দোলনকারী এবং পুলিশ সদস্য আহত হন।

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি দ্রুত আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কনট প্লেস, শাস্ত্রী ভবন, রেল ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সামনের ভিআইপি এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী একাধিকবার কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। বিশেষ করে রেল ভবনের সামনে দীর্ঘ সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে মিছিলের অগ্রযাত্রা থামানো হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদের দক্ষিণ দিকের প্রধান যানবাহন প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে মধ্য দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপথ, রাজীব চক, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও সেবাতীর্থ- এই পাঁচটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো যাত্রী। মাণ্ডি হাউসসহ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের ভেতর ও বাইরে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ ভবন, জন্তর মন্তর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচির জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া সংসদ ভবনের আশপাশে বর্তমানে ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েত আইনত নিষিদ্ধ। অনুমতি ছাড়া মিছিল বা সমাবেশ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা।

অন্যদিকে সিজেপির আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কর্মসূচির বিষয়ে আগেই লিখিতভাবে পুলিশকে অবহিত করেছিলেন। প্রশাসনই জোরপূর্বক কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তাদের অভিযোগ, বিক্ষোভ দমনে আন্দোলনস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কেন্দ্রীয় সরকার সম্মতি জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন