নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের আজ জম্মদিন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম বিমান বাহিনী কমান্ডার ট্রাইব্যুনালে হাজির। সাবেক আইনমন্ত্রীর ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় এক যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড। প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে|: সরকার। আগামী নভেম্বর থেকে উম্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন। সংসদ স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ফ্লাইট চলাচল শুরু। জুলাই-আগস্ট ২৪ ছাত্র-জনতার মামলায় ২৩ জনকে মৃত্যুদন্ড যাবজ্জীন১১। মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন।

অনিবন্ধিত বা ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি পেশাদার ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিতে থাকা ফুটবলারদের স্থানীয় পর্যায়ের অনিবন্ধিত বা ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সরকারি ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মিত ম্যাচে অংশ নেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তিনি বলেছেন, পেশাদার ফুটবলার হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ না করে এ ধরনের খেলায় অংশ নেওয়া অসদাচরণের শামিল। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের সতর্ক করার পাশাপাশি প্রয়োজনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার রাতে রাজধানীর কালশীতে একটি স্থানীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সাবেক জাতীয় দলের গোলরক্ষক ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

খেপ খেলায় জাতীয় দলের ফুটবলার, প্রশ্ন পেশাদারত্ব নিয়ে

সম্প্রতি জাতীয় দলের ফুটবলার শেখ মোরছালিন, ফয়সাল আহমেদ ও রাকিব হোসেনকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও গ্রামীণ পর্যায়ের ফুটবল টুর্নামেন্টে ‘খেপ’ খেলতে দেখা গেছে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল ও ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানীয় টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের বিষয়টি ফুটবলাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

সরকারি ভাতা ও পেশাদার ক্লাবের বেতন পাওয়ার পরও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এ ধরনের স্থানীয় ম্যাচে অংশ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার খেলোয়াড়দের নিয়মিত মাসিক ক্রীড়া ভাতা দিচ্ছে। তারা জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন এবং পেশাদার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বড় অঙ্কের চুক্তিতে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গ্রামগঞ্জে গিয়ে খেপ খেলায় অংশ নেওয়া কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন রয়েছে।

আমিনুল হকের মতে, একজন পেশাদার ফুটবলারের নিজের ফিটনেস ও শারীরিক নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা উচিত। জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো খেলোয়াড় স্থানীয় ম্যাচে অংশ নিয়ে চোটে পড়লে এর প্রভাব শুধু তাঁর নিজের ওপর পড়ে না; জাতীয় দল ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চোটের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

স্থানীয় পর্যায়ের ‘খেপ’ ম্যাচগুলো সাধারণত অনুমোদিত পেশাদার ফুটবল প্রতিযোগিতার মতো নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে মাঠের মান, চিকিৎসা সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থাও পর্যাপ্ত থাকে না।

এ ধরনের ম্যাচে অসমান মাঠ, অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ এবং প্রতিপক্ষের শারীরিক ট্যাকলের কারণে খেলোয়াড়দের চোট পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। জাতীয় দলের কোনো খেলোয়াড় গুরুতর চোটে পড়লে তাঁর ফিটনেস নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ও ক্লাব ফুটবলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

বাফুফের সঙ্গে বৈঠক করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজের ব্যস্ততার কারণে এখনো বাফুফে সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পেশাদারত্বের বাইরে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খেপ খেলতে যাওয়া ফুটবলারদের প্রথমে বাফুফের মাধ্যমে কঠোরভাবে সতর্ক করা হবে। এরপরও কেউ একই ধরনের আচরণ অব্যাহত রাখলে সরকারের পক্ষ থেকে অথবা বাফুফের মাধ্যমে শাস্তিমূলক।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন