নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিসসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও মোটরসাইকেল আটক করেছে বিজিবি। ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি। নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার। বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণার আড়ালে কাটা বা আমদানির ঘটনা উদঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। ৫৩টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভুলবশত চলে যাওয়া সর্বমোট ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আর ই-টিকেটিং সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে টানা ৫ দিনের ছুটি।

মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড।

টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেরত আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ছয়জন কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

গতকাল বুধবার দুপুরে টেকনাফে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।

এর আগে বুধবার বেলা ২টার দিকে বিজিবির মধ্যস্থতায় নাফ নদী হয়ে টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটিঘাট দিয়ে ২৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে পরিচয় যাচাই শেষে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্র জানায়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেন এসব জেলে। এ সময় তাদের আটক করে আরাকান আর্মি। পরে মানবিক বিবেচনায় বিজিবির উদ্যোগে ধাপে ধাপে তাদের দেশে ফেরানোর কার্যক্রম শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ জনকে গ্রহণ করে বিজিবি।

দেশে ফিরে আসা জেলেরা অভিযোগ করেন, মিয়ানমারের বিভিন্ন স্থানে তাদের আটকে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিন বন্দি অবস্থায় থাকার সময় তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারে মোট ৪৩৪ জন জেলে আটক হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৪৮ জনকে এরই মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তবে এখনও মিয়ানমারে আটক রয়েছেন ৮৬ জন জেলে। তাদের মধ্যে ৬৫ জন বাংলাদেশি এবং ২১ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন