গত কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা ও ঘনকুয়াশায় জয়পুরহাটের পুরো এলাকা স্থবির হয়ে পড়েছে। সকালেও ছিল ঠান্ডার সাথে ঘনকুয়াশা। হঠাৎ করে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেখা মিলে রোদের। তবে হাড় কাঁপানো শীত জেলার সর্বত্রই জেঁকে বসেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের প্রকোপ। সকালে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করেছে। জীবিকার প্রয়োজনে রোদ দেখা পাওয়ার পর বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বস্তিবাসী ও ছিন্নমূল মানুষরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।
ক্ষেতলাল পৌরশহরের বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, রোদ ওঠলে কী হবে, ঠান্ডায় বাড়ি থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। হাত-পা ঠিকমত কাজ করছে না। জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়েছে। জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কে ট্রাক চালক আপেল বলেন, কুয়াশা কমে না। সকালেও হেড লাইট জ¦ালিয়ে চলতে হয়েছে। হেড লাইটের আলোতে ঠিকমত দেখাও যায় না। এ অবস্থায় খুলনা থেকে লোড করে জয়পুরহাট পর্যন্ত আসছি।
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। জয়পুরহাট ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনে তুলনায় রোববার রাত থেকে হাসপাতালের শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আমারদেশ২৪ ডেস্ক।









