নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো। বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানির তীব্র স্রোতে ভেসে ২ শিশুর মত্যু। মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে ফ্রান্স। নেতাকর্মীদের জন্য ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ৫ জেলার শনিবারের ১১ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম নগরীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি। শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। পলাতক ৫৭ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত হচ্ছেন। বৃষ্টি হলেও কাঁচাবাজারে সবজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি।

জয়পুরহাটে রোদের দেখা মিললেও পারদ নেমেছে ৬.৭ ডিগ্রিতে।

নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, আজ বুধবার  ভোর ৬ছয়টায় জয়পুরহাটসহ পাশ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছীতে বছরের সবচেয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টাও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে। এ বছরের সবচেয়ে তাপমাত্রা আজ সর্বনিম্ন। তবে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রোদের দেখা মিলেছে।

গত কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা ও ঘনকুয়াশায় জয়পুরহাটের পুরো এলাকা স্থবির হয়ে পড়েছে। সকালেও ছিল ঠান্ডার সাথে ঘনকুয়াশা। হঠাৎ করে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেখা মিলে রোদের। তবে হাড় কাঁপানো শীত জেলার সর্বত্রই জেঁকে বসেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের প্রকোপ। সকালে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করেছে। জীবিকার প্রয়োজনে রোদ দেখা পাওয়ার পর বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বস্তিবাসী ও ছিন্নমূল মানুষরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

ক্ষেতলাল পৌরশহরের বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, রোদ ওঠলে কী হবে, ঠান্ডায় বাড়ি থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। হাত-পা ঠিকমত কাজ করছে না। জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়েছে। জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কে ট্রাক চালক আপেল বলেন, কুয়াশা কমে না। সকালেও হেড লাইট জ¦ালিয়ে চলতে হয়েছে। হেড লাইটের আলোতে ঠিকমত দেখাও যায় না। এ অবস্থায় খুলনা থেকে লোড করে জয়পুরহাট পর্যন্ত আসছি।

এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। জয়পুরহাট ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনে তুলনায় রোববার রাত থেকে হাসপাতালের শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।

আরও পড়ুন