অর্থনীতি ডেস্ক।
মূলত দুটি কারণকে দায়ী করেছিলেন। যার মধ্যে একটি কারণ—বিশ্ববাজারে কিছু মসলা পণ্যের বাড়তিদাম এবং অন্য কারণটি হলো—তখন বাংলাদেশে ডলারের দাম বৃদ্ধি। এসব কারণে সেসময় মসলার যে দাম বেড়েছিল, এখনো সেটা কমেনি।
বাজারে এখনো সবচেয়ে দামি মসলা পণ্যটির নাম এলাচ। খুচরা পর্যায়ে এখন তা বেড়ে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অথচ দুই বছর আগেও এলাচ বিক্রি হতো ২০০০ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে পণ্যটির দাম প্রায় আড়াই গুণের বেশি বেড়েছে।
পাড়া-মহল্লার দোকানে এলাচের দাম আরও কিছুটা বেশি। কথা হলে একজন ক্রেতা জানান, তিনি দোকানে গিয়ে ১০০ টাকার এলাচ দিতে বলেন। দোকানি তাকে ২০ গ্রাম ১২০ টাকায় নিতে বলেন। এ হিসাবে প্রতি কেজি এলাচের দাম পড়ে ৬ হাজার টাকা।
ঈদের সময় দারুচিনির চাহিদাও বেশ বাড়ে। বর্তমানে বাজারে দারুচিনির কেজি ৫৬০ থেকে ৬০০ টাকা। অন্য অনেক মসলা পণ্যের মধ্যে বাজারে এখন প্রতি কেজি লবঙ্গ ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা, ধনিয়া ৩০০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং তেজপাতা ২০০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া জয়ত্রী ৪ হাজার টাকা, জায়ফল দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট ছোট দোকানে এক মাসের ব্যবধানে এই পণ্যগুলোর দাম কিছুটা বেড়েছে।তবে গত কোরবানির ঈদের আগের তুলনায় দাম খানিকটা কম দেখা গেছে জিরার ক্ষেত্রে। বাজারে এখন প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকায়। যা আগে ছিল ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা।
আমারদেশ২৪ নিউজ।









