যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতা। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ মোহাম্মদ আল-আনসারি।
দুই দিনব্যাপী চলা বৈঠকে হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ ছেড়ে দেওয়াসহ আরও বেশকিছু ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে না পারায় দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামি রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) খবরে বলা হয়েছে, স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে নিজেদের মধ্যকার অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ ও নির্দিষ্ট করা হবে বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই বৈঠক আগামী ৯ জুলাইয়ের আগে হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে বৈঠকের দিনক্ষণ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
খামেনি গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধের একেবারে শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এতদিনেও তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি তেহরান। স্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের একটি সমঝোতা হয়েছে। ফলে আগামী সপ্তাহেই আলী খামেনির দাফনকাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান সরকার। সপ্তাহব্যাপী শোক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সেগুলো পালনের পর আগামী ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাফন করার কথা রয়েছে।
আলোচনা করার জন্য ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দোহায় গেলেও ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের সরাসরি কোনো বৈঠক হয়নি। ফলে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা যা হওয়ার, সেটা হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে।
amardesh24.com









