নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার সচিবদের নির্দেশনা। আলোচনার শীর্ষে থাকা বনলতা এক্সপ্রেস বক্স: ব্যবসা ৩ কোটি প্লাস। একলাফে রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে এলপি গ্যাসের দাম। সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও। দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্য শেষ হতে হামলা চালিয়েছে ইরান। হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট। হামের উপসর্গে ৪ মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ৬৮৫।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ২ রোগীর মৃত্যু।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সোহেল মির্জা।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ রোগীর মৃত্য হয়েহে। আগুন নেভাতে গিয়ে আনসার সদস্যসহ ৬ জন অসুস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের পঞ্চম তলার মেডিসিন ওয়ার্ডের একটি কর্নারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগী স্থানান্তরের মধ্যে পটুয়াখালীর কাজী আতাউর রহমান (৮০) এবং বরিশাল নগরীর আবুল হোসেন (৬৭) মারা যান। স্বজনদের অভিযোগ, অক্সিজেনের অভাবেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী হাসপাতালের স্টাফ ও রোগীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ওই স্থানে রোগীদের ব্যবহারের জন্য রাখা ফোম, বেডশিট ও বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী থাকায় দ্রুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো তলায়।

ঘটনার পরপরই ভবনের বিভিন্ন তলায় ভর্তি রোগী, তাদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় হুড়োহুড়ি। অনেকে রোগীদের কোলে ও স্ট্রেচারে করে দ্রুত নিচে নামিয়ে হাসপাতাল চত্বরে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে হাসপাতালের স্টাফ ও স্বজনরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

কাজী আতাউর রহমানের পুত্রবধূ জানান, তার শ্বশুর দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন এবং সার্বক্ষণিক অক্সিজেন প্রয়োজন ছিল। আগুন লাগার সময় তাকে অক্সিজেন ছাড়াই নিচে নামানো হয়। পরে দ্রুত অক্সিজেনের ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি মারা যান। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে থাকা একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স থেকে অক্সিজেন চাইলেও তা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে আবুল হোসেনের ছেলে জানান, কয়েকদিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকা তার বাবাকে আগুনের ঘটনায় স্থানান্তরের সময় আর জীবিত পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, মৃত দুই রোগীর অবস্থা আগে থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল।হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনায়েম সাদ বলেন, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. নাজমুল আহসান জানান, ভবনের মাত্র দুটি ইউনিটে প্রায় ১০০ রোগী ভর্তি ছিল। তাদের নিরাপদে পুরাতন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগুন নেভাতে গিয়ে কয়েকজন আনসার সদস্য ও স্টাফ অসুস্থ হয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের বরিশাল স্টেশনের স্টেশন অফিসার আবুজর গিফরী জানান, ফোম ও বেডিং সামগ্রী থাকায় ধোঁয়া বেশি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগে। আগুনের কারণ এখনও নিশ্চিত নয়, সিগারেট বা শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত করে এসব বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। আর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলতে পারবেন।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন