নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে লামিনে ইয়ামালকে পাওয়া নিয়ে খানিকটা শঙ্কা ছিল। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় আবারও গোলাগুলি ও ভারী বিস্ফোরণ। ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার। তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। জোড়া গোলে ব্রাজিল দাপট দেখাচ্ছে। ইতিমধ্যে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ দল। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দলটির ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান। ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের প্রেসিডেন্ট কে মোরল্যান্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রাজ্যের বাইরে দেশের অন্য কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা করতে :মূর্খমন্ত্রী অনুমতি লাগবে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

রাজ্যের বাইরে চিকিৎসা করাতে গেলে এ বার আর আগের মতো সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন করে কঠোর নিয়ম চালু করল নবান্ন। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তি এবং ‘দ্য কলকাতা গেজেট’-এ প্রকাশিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের বাইরে দেশের অন্য কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা করাত হলে আগে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রশাসনিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আসবে। প্রসঙ্গত, বামফ্রন্ট জমানায় তৎকালীন মন্ত্রী মানব মুখোপাধ্যায়ের সরকারি অর্থে একটি মহার্ঘ চশমার দাম নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানাতেও মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্রের একটি মেডিক্যাল বিল নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। এ বার রাজ্য সরকার মন্ত্রীদের চিকিৎসার খরচে রাশ টানতেই এমন পদক্ষেপ করেছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের সরকারি খরচে রাজ্যের বাইরে চিকিৎসা করাতে গেলে এমন অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। ফলে নতুন এই নিয়ম প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

নবান্নের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু মন্ত্রী কোনও রকম অসুস্থতা ছাড়াই ভিন্ন রাজ্যে বার্ষিক শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে অনেক টাকার বিল জমা দিয়েছেন। সেই বিষয়গুলি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে আলোচনা হয়েছিল। এ বার সেই ধরনের ঘটনা রুখতে কড়া পদক্ষেপ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে থাকা স্বরাষ্ট্র দফতর। সেই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সুবিধা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী, উপ-মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীরা। দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই তাঁরা এই চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় আসবেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁদের পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যরাও এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছেন অবিবাহিত কন্যা, নির্ভরশীল বাবা-মা এবং ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত নির্ভরশীল ভাই-বোন। চিকিৎসা পরিষেবার সংজ্ঞাও এই নির্দেশিকায় বিস্তৃত করা হয়েছে।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন