নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তর্ক। আমানতকারীদের আইনি সুরক্ষা জোরদার করা হয়েছে। রুটিন কাজের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন শামা ওবায়েদ। অভিযোগ প্রমাণে ফোনের কল রেকর্ড এবং হোটেলের বিল গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত। অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৩ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত। জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থী নিহত। জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

৩৫ দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল।

কাজী জাহাঙ্গীর : চট্রগ্রাম।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট তীব্রতর হওয়ায় আন্তর্জাতিক আকাশপথে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব এসে পড়েছে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের আকাশপথেও। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত— মাত্র ৩৫ দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলকরতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় তৈরি হওয়া চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই এই নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবারও (৩ এপ্রিল) নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য রুটের আরও ৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর ফলে ৩৫ দিন ধরে প্রবাসীদের এই চিরচেনা ট্রানজিট পয়েন্টটিতে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা। শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের অবাধ বিচরণ চলায় বেসামরিক বিমান চলাচলের রুটগুলো চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ওপর। শুক্রবার বাতিল হওয়া ৬টি ফ্লাইটের তালিকায় ছিল— ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, এয়ার আরাবিয়ার ২টি এবং সালাম এয়ারের ২টি ফ্লাইট। এই বিমান সংস্থাগুলোর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানগামী শিডিউলগুলোই এখন সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা হাজার হাজার প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা। অনেকেই জরুরি ছুটিতে দেশে এসে আটকা পড়েছেন, আবার অনেকেরই নতুন ভিসায় কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার শেষ সময় ঘনিয়ে আসছে। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া কিংবা নতুন শিডিউল পাওয়া নিয়ে এক অনিশ্চিত গোলকধাঁধায় পড়েছেন তারা।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো, ইব্রাহীম খলিল জানান, যুদ্ধের উত্তাপ সরাসরি যাত্রী পরিষেবায় এসে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী ও পর্যটক। যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির কবে উন্নতি হবে এবং আকাশপথ কবে নিরাপদ হবে— সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা।

আমাদের ঠিকানা নিউজ।

 

আরও পড়ুন