৫ টি ব্যাংকের সব আমানতকারীর দাবি ও স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।তিনি আরও জানান, আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আমানতকারীদের আইনি সুরক্ষা জোরদার করা হয়েছে এতে সর্বোচ্চ বীমাকৃত আমানতের সীমা ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া আগে আমানত সুরক্ষার আওতার বাইরে থাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদেরও এ আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, রেজ্যুলেশনের আওতাভুক্ত ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করা বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাদের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, পাঁচটি ব্যাংকে ঋণ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিশেষ ফরেনসিক নিরীক্ষা চলছে। নিরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে আত্মসাৎ করা সম্পদ উদ্ধার এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬-এর ৫৭ ধারার উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত আয়, সম্পদ, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও অধিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংককে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেগুলো বিক্রি বা নিলামের মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’
অর্থমন্ত্রী জানান, ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি খেলাপি ঋণ আদায় এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার দেওয়ানি কার্যক্রমও শুরু করেছে।
তিনি বলেন, প্রায় ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক গোপনীয়তা চুক্তি (এনডিএ) স্বাক্ষরের পর ‘নো উইন, নো ফি’ ভিত্তিতে ৯টি আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কাজ শুরু করেছে, যারা বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ও খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে কাজ করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকারের আমলে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য সব আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
amardesh24.com








