নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থী নিহত। জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মিশন সফল হলোনা ব্রাজিলের অপেক্ষা বাড়ল আরো চার বছর। শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত। বড় ধরনের ধসের কবলে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজার। সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা। ডিএসসিসির একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের অসম্পূর্ণতার প্রতিচ্ছবি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থী নিহত।

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থী নিহতহয়েছে। এতে চাপা পড়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।আজ বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে

উখিয়া ফায়ার সাভির্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। পাহাড় ধসে আনুমানিক ২০ শিক্ষার্থী চাপা পড়ে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের একটি মক্তবের ওপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় মক্তবটির ভেতরে ৩০ জনেরও বেশি শিশু পড়ছিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, ‘দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল উদ্ধার কাজ করছে। ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। তবে ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক রফিক বলেছেন, পাঁচজন শিশুর মরদেহ উদ্ধারের কথা।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল এবং বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন