নিজস্ব প্রতিবেদক।
৮ মাসে -রেজিস্ট্রার বদলি করে শত কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও তার পিএস মাসুমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদ করেছেন ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন।সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বরাবর গতকাল বুধবার এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের মাধ্যমে এসব ঘুষ লেনদেন হয়েছে।
আবেদনে ৩ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘আসিফ নজরুলের সময়ে আইন মন্ত্রণালয় : ৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুষ লেনদেন শতকোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের আট মাসে আইন মন্ত্রণালয়ে শুধু সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতেই শত কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের আমলে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নীতিমালা মানা হয়নি।
ঘুষের বিনিময়ে বদলির ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত টাকা পরিশোধ না করায় বদলির আদেশ স্থগিত করার প্রমাণও পাওয়া গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাউকে ছয়-সাত মাসের মধ্যে তিন-চারবার বদলি করা হয়েছে।
আট মাসে (অক্টোবর ২০২৪ থেকে এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত) নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০০ জন ঘুষের মাধ্যমে পছন্দের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি বাগিয়ে নিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের অফিসে বদলির আদেশ পেয়েছেন তারা। অতীতে কখনো ৮ মাসে এত বিপুলসংখ্যক বদলির ঘটনা ঘটেনি।
বদলির নীতিমালা অনুযায়ী, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের অফিসে অনুরূপভাবে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের বিধান রয়েছে। কিন্তু গত আট মাসে এই নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি।
আমারদেশ২৪ নিউজ।







